রোববার জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো তিনটি দলের প্রত্যেকটিতে ডজন ডজন লোক রয়েছেন, যারা বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন পরিচালনা করবেন এবং ড্রোন প্রতিরক্ষা কীভাবে কাজ করা উচিত তা পর্যবেক্ষণ করবেন।
ইরানের আক্রমণাত্মক ড্রোন মোকাবেলায় উপসাগরীয় দেশগুলো প্রচুর পরিমাণে বিমান-প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যয় করেছে এবং সেগুলো ভূপাতিত করার জন্য ইউক্রেনের বিশেষজ্ঞ চেয়েছে।
আরও পড়ুন:ইরানকে রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে এবার মুখ খুললেন জেলেনস্কি
কিয়েভ প্রতি রাতে সস্তা, ছোট ড্রোন বা জ্যামিং সরঞ্জাম সহ বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করে রাশিয়ান ড্রোন ভূপাতিত করে।
জেলেনস্কি বলেছেন যে, বিশ্বের প্রায় এক ডজন দেশ এই আক্রমণ মোকাবেলায় ইউক্রেনের সাহায্য চেয়েছে।
তিনি এই সপ্তাহের শুরুতে বলেছিলেন কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে দল পাঠানো হয়েছে, অন্যদিকে অন্য একজন কর্মকর্তা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা জর্ডানের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতেও গেছেন।
জেলেনস্কি ইরানের তৈরি শাহেদ ড্রোনের কথা উল্লেখ করে আরও বলেন, ‘এটা অভিযানে জড়িত থাকার বিষয় নয়। আমরা ইরানের সাথে যুদ্ধ করছি না। এটা শাহেদ ড্রোন মোকাবেলা করার জন্য আমাদের দিক থেকে নেয়া একটি সুরক্ষা।’
তিনি আরও বলেন, এই সাহায্যের বিনিময়ে ইউক্রেন কী পাবে তা নিয়ে এখনও আলোচনা করা বাকি।
সত্যি বলতে, আজ আমাদের জন্য, প্রযুক্তি এবং তহবিল উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ। বলেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট।
আরও পড়ুন:‘শিগগিরই’ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার সাথে বৈঠক করবেন পুতিন!
জেলেনস্কি আরও বলেন যে, তিনি নিশ্চিত নন ইউক্রেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ড্রোন সহযোগিতার বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে কিনা, যা কিয়েভ কয়েক মাস ধরে সম্মত হওয়ার চেষ্টা করছে।
সূত্র: রয়টার্স
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·