শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জেলা শহরের ২৮টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালীন বিভিন্ন কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোনসহ তাদের হাতেনাতে ধরা হয়।
পুলিশ ও কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে পরানগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ১ জন, হালিমা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২ জন এবং আলিয়া মাদ্রাসা ও বাংলাস্কুল কেন্দ্র থেকে ১ জন পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহারে। ঘুইংগারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ২ জন, আবদুর রব স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২ জন এবং কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে ২ জন পরীক্ষার্থীকে বিশেষ জালিয়াতি ডিভাইসসহ আটক করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, আটকরা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়োগ পরীক্ষায় নকল করায় পরীক্ষার্থী আটক
জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের নিয়োগ পরীক্ষায় জেলায় মোট ২৮টি কেন্দ্রে ১৪ হাজার ৬৬ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছেন ১১ হাজার ৮৩৬ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ২২৫ জন পরীক্ষার্থী।
পরীক্ষা চলাকালীন বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান ও পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, নিয়োগ পরীক্ষা স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ রাখতে কঠোর নজরদারি চালানো হয়েছে। জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
তবে আটক ও বহিষ্কৃতদের নামসহ বিস্তারিত পরিচয় রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসন তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করছে।

৬ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·