ম্যাচের ভাগ্য অবশ্য প্রথম দিনেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল। হাতে কেবল ৩ উইকেট নিয়ে আজ ৭৪ রান করলে ইনিংস ব্যবধানে হারটা এড়াতে পারত সেন্ট্রাল জোন। তবে সেটা আর সম্ভব হয়নি। এক এবাদত হোসেনই তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। গত দিনের ৮৩ রানের সঙ্গে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) কেবল ২০ রান করতে পেরেছে সেন্ট্রাল জোন।
দ্বিতীয় ইনিংসে সেন্ট্রালের হয়ে দলীয় সর্বোচ্চ ২২ রান করেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। এবাদত ৪ আর খালেদ নিয়েছেন ৩ উইকেট। বাকি ৩ উইকেটের দুটি হাসান মুরাদের, একটি তোফায়েলের।
আরও পড়ুন: শান্ত-লিটনের পাশাপাশি রানা-মোস্তাফিজকেও প্রশংসায় ভাসালেন মিরাজ
এদিকে, টস হেরে প্রথম ইনিংসে মধ্যাঞ্চল ৩০৭ রান করে। ওই ইনিংসেও ইনিংস বিপর্যয়ে পড়েছিল দলটি। তবে সপ্তম উইকেটে ১৪৭ রান করে দলকে উদ্ধার করেন আবু হায়দার রনি এবং আশিকুর রহমান শিবলী। শিবলী করেন ৮৬ রান। রনি ৩ ছক্কা ও ১০ চারে ১১৫ বলে ৯০ রান করেন রনি। প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেন এবাদত, তোফায়েল নেন ৩টি।
জবাবে নেমে আমিত হাসান এবং মুশফিকুর রহিমের ব্যাটে বড় সংগ্রহ পায় ইস্ট জোন। ১৮ চারে ১৬২ রান করেন অমিত। ইকবাল হোসেন ইমনের বলে আউট হয়ে ডাবল সেঞ্চুরির স্বপ্নভঙ্গ হয় তার। মুশফিক ৮৩ এবং ইয়াসির আলী করেছেন ৭৯ রান। ওপেনিংয়ে ৬৪ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। সেন্ট্রালের হয়ে ৫ উইকেট নেন রাকিবুল হাসান।
আরও পড়ুন: পিএসএলের বাকি অংশে খেলা হচ্ছে না মোস্তাফিজ-নাহিদের
ইস্ট জোনের বিপক্ষে এই ম্যাচে মূলত একাদশে ছিলেন না অমিত। জাকের আলীর কনকাশন সাব হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। আর মাঠে নেমে খেললেন ১৬২ রানের ইনিংস। এ প্রসঙ্গে অমিত বলেন, ‘জাকের আলী অনিক ভাই উনি হয়তোবা মাথায় ব্যথা পেয়েছে তো সেজন্য কনকাশনে আমাকে নামানো হয়েছে। আমি সবসময় নিজেকে প্রিপেয়ার্ড রাখি যদি সুযোগ আসে ভালো খেলার চেষ্টা করি।’
ডাবল সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘আমরা ইনিংস ব্যবধানে জিতেছি এটাই আমাদের কাছে মুখ্য বিষয়। দলের প্রয়োজনে কন্ট্রিবিউশন করতে পারছি সেটাই আমার কাছে মুখ্য বিষয়। অবশ্যই প্রত্যেকটা ব্যাটসম্যানেরই ইচ্ছা থাকে ডাবল হান্ড্রেড করার। তো আমারও ঐরকম একটা ইচ্ছা ছিল।’
ডাবল সেঞ্চুরির ফিকে এগোনোর সময় মুশফিকের সময় আলাপ নিয়ে বলেন, ‘তখন (মুশফিক) ভাই বলছিল রিজিকের মালিক আল্লাহ, তো তুই তোর মত খেলতে থাক আল্লাহ চাইলে অবশ্যই হবে।’
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·