ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক

৩ সপ্তাহ আগে
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দুদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেলে ৫টা পর্যন্ত ৫ ঘণ্টা ধরে সরাইলের সদরে এই সংঘর্ষ চলে। দীর্ঘ সময় ধরে সংঘর্ষ চলার কারণে এলাকাবাসী পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ এবং অসন্তোষ প্রকাশ করেন।


পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সকালে উপজেলা সদরের সৈয়দটুলা গ্রামের এক রিকশাচালক পাশের পাঠান পাড়া গ্রামের মালুর মিয়ার গরুর ওপর তার রিকশা উঠিয়ে দেন। এরপরই দুজনের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সৈয়দটুলার পক্ষে পাঁচটি গ্রাম এবং পাঠানপাড়ার পক্ষে সাতটি গ্রাম সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।


আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে মেলায় আতশবাজি ফোটানো নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০


দীর্ঘ ৫ ঘণ্টা ব্যাপী এই সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশের ভূমিকা না থাকায় এ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


স্থানীয় বাসিন্দা শেখ আরাফাত রহমান জানান, থানা থেকে মাত্র ৫০ গজের মধ্যে ৫ ঘণ্টা ব্যাপী সংঘর্ষ হলেও পুলিশ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। পুলিশের ভূমিকায় আমরা হতাশ।


আরও পড়ুন: ঝিনাইদহে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০, ভাঙচুর


সরাইল সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার বলেন, ‘পুলিশ এসে কয়েকবার ঘুরে গেছে। তবে তারা সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি।’


সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের বলেন, তারা সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছেন। তবে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেনাবাহিনী সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে নিয়ে যান।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন