বৃষ্টিতে নষ্ট রাজশাহীর সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর জমির শাকসবজি-ধানের চারা

১ সপ্তাহে আগে
চলতি মৌসুমে অতিরিক্ত বেশি বৃষ্টিপাতের কারণে পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রাজশাহী বিভাগের প্রায় সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর ফসলি জমির শাকসবজি ও আমন ধানের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে পাইকারি ও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ায় বেড়ে গেছে সব ধরনের শাকসবজির দাম। এতে ভোগান্তিতে নিম্ন আয়ের ক্রেতারা।

মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে রাজশাহীতে। গত কয়েক বছরের মধ্যে জেলায় চলতি মৌসুমে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সবচে বেশি। এতে পবা, মোহনপুর, তানোর, দূর্গাপুর ও বাগমারাসহ ৯টি উপজেলার ১ হাজার ৬শ’ হেক্টর আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে বেগুন, পটল, করলা, মরিচসহ বিভিন্ন শাকসবজি জমিতে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই পাইকারি বাজারে আমদানি কমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের শাকসবজির দাম বেড়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

 

এদিকে, নওগাঁর আত্রাই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমির আমন ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। কোমর পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকা ধান ও শাকসবজি পচে যাওয়ায় ব্যাপক লোকসানের আশংকায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।
 

আরও পড়ুন: ধোঁয়াশা কাটল রাকসু নির্বাচনের

বিভাগীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে, গেল ২ সপ্তাহের বৃষ্টিতে নাটোর ও বগুড়ায় দেড় হাজার হেক্টর জমির নানা শাকসবজি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মারাত্মক ক্ষতি মুখে পড়েছেন কৃষকরা। 
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের ব্যবসায় নেতা সাইফুল ইসলাম হীরক জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে শাকসবজির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫শ’ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।
 

এ অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্ত ‌কৃষকদের সরকারি প্রণোদনা ও নানা পরামর্শের পাশাপাশি স্বল্প সুদে কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করার কথা জানায় নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।
 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে, বিভাগের ৮ জেলায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর আবাদি জমির শাকসবজি ও আমন ধানের চারা অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে। জমির পানি নামতে শুরু করায় কিছু কিছু জেলায় আবার বিভিন্ন শাক সবজি ও আমন ধান চারা রোপণ বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়।  

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন