বিড়িতে সুখটান দিয়ে দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে আল্লাহ সব মাফও করতে পারেন: জামায়াত প্রার্থী

৬ দিন আগে
বিড়িতে সুখ টান দিয়ে দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিলে পেছনের সব আল্লাহ মাফও করে দিতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ড. ফয়জুল হক।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে রাজাপুরে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই বক্তব্য ভাইরাল হয়। 


উঠান বৈঠকে ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘এমনও হইতে পারে আমার ভাই হয়তো জীবনে কোনোদিন ইবাদত করার সুযোগ পায় নাই। তবে ওই সুখ টান দেয়া বিড়ির মধ্যেও যদি সে ওই দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত দিয়ে যদি আল্লাহর দ্বারে কবুল হয়ে যায়। এমনও হইতে পারে পিছনের সব মাফ কইরা আল্লাহ তারে বালোও (ভালও) কইয়ারা দিতে পারে।’


নারীদের উদ্দেশ্য করে ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘জীবনে অনেক গপ্পো মারছেন, প্রত্যেকদিন বিকেলে উঠানে যাইয়া গপ্পো মারা এরপর চুলের বিনি বাধা একজন আরেক জনের মাথা আচরাইয়া দেওয়া। কিন্তু আজকে থেকে একটা মাথাও আর ফ্রি আচরাইবেন না। যাইবেন ভাবির মাথায় চিরুনি রেখেই পেনাপোডা শুরু করবেন দাঁড়িপাল্লার। এতদিন তোমার কথা শুনছি মাথার উকুন এনে দিছি আজকে থেকে তোমার কাছে আসলে তুমি আমার কথা শোনবা। তোমারে শোনাবো তোমাকেও বলবো তুমিও আরেকজনকে বলবা। আগামী নির্বাচনে অন্তত একবারের জন্য কায়েদা সাহেব হুজুরের নাতি ড. ফয়জুল হকরে রাজাপুর কাঁঠালিয়ায় দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবা। এরপর কমপক্ষে মা বোন আত্মীয় স্বজন ২০ জন মহিলাকে ফোন দিয়ে ভোট দেওয়ার কথা বলবেন।’

আরও পড়ুন: আচরণবিধি লঙ্ঘন: জামায়াত ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থীকে শোকজ

নির্বাচনের দিন সম্পর্কে ফয়জুল হক বলেন, ‘নির্বাচনের রাতে ঘুমাবেন না। ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত ঘুমাবেন। এরপর রাতের বেলা বাসার মধ্যে ভালো খাবার রান্না করে স্বামীকে আদর যত্ন করে তুলে আপনি সহ আপনার আত্মীয় স্বজন সবাইকে নিয়ে সবার আগে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে এরপর ভোট গুনে তারপর বাড়ি এসে বিজয় মিছিল করে ঘুমাবেন।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন