বিশ্বকাপের বাছাইয়ের চ্যালেঞ্জ নিতে কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ?

২০ ঘন্টা আগে
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করতে পাকিস্তান যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ঈদের ছুটি না কাটিয়ে কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সন্তুষ্ট টাইগ্রেস অধিনায়ক। পাকিস্তান কন্ডিশনের অভিজ্ঞতা থাকায় দলের সঙ্গে সহকারী কোচ ডেভিড হেম্পের অন্তর্ভুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তিনি। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাটিং সহায়ক উইকেট ভালো করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছেন বোলাররাও।

২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো নারীদের হাত ধরে বাংলাদেশে এসেছিলো এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব। এই এক শিরোপা বদলে দেয়া শুরু করে নারীদের ক্রিকেট। তবে কোভিডের পর নানা ইস্যু, পিছিয়ে যায় জ্যোতিরা। এবার আরও একটা মেগা আসরের অপেক্ষায় টাইগ্রেসরা। তবে, তার আগে দিতে হবে বাছাইপর্বের কঠিন পরীক্ষা।


ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করতে পাকিস্তান যাবে বাংলাদেশের নারীরা। সেখানে উতরাতে হবে থাইল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড বাধা—লড়তে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও স্বাগতিক পাকিস্তানের বিপক্ষেও। মিশনটা যে সহজ হবে না ভালো করেই জানেন লাল-সবুজ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। প্রস্তুতিও নিয়েছেন সেভাবে। আর দলের সঙ্গে সহকারী কোচ হিসেবে ডেভিড হেম্পের অন্তর্ভুক্তিকে দেখছেন ইতিবাচকভাবে।


বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি বলেন, 'শেষবার যখন আমরা বিশ্বকাপ খেলেছি, তারপর থেকে কিন্তু আমাদের খেলাটা আরও বেড়ে গেছে। এরপর থেকেই কিন্তু আমরা অনেক সম্মান পাচ্ছি। বাংলাদেশের বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। হেম্প অনেকদিন পাকিস্তানের হেড কোচ ছিলেন। ফলে তিনি সেখানকার কন্ডিশনটাও খুব ভালো করে জানেন। আমার মনে হয়, পাকিস্তানে উনার অভিজ্ঞতাটা আমাদের অনেক বেশি সাহায্য করবে।'


আরও পড়ুন: নারী ক্রিকেটারদের ঈদ কাটলো বিসিবিতে 


পাকিস্তানের ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেটে চ্যালেঞ্জ নিতে হবে বোলারদের। তবে, ডেভিড হেম্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে লাল-সবুজরা। ইনজুরি থেকে ফেরা মারুফাও এখন শতভাগ ফিট। প্রথম ম্যাচেই তাকে পাওয়ার প্রত্যাশা অধিনায়কের।


জ্যোতি বলেন, 'সাব-কন্টিনেন্টে যখন খেলি তখন ভালো জায়গায় বল করলেই উইকেট চলে আসে। তবে ওইখানে উইকেট নেয়ার জন্য কিন্তু অনেক পরিশ্রম করতে হয়। তো বোলারদের সঙ্গে সেভাবেই কথা হয়েছে যেন আমরা উইকেটের পেছনে না গিয়ে সবাই ইকোনোমিকাল বল করি। ওকে (মারুফা) প্রিমিয়ার লিগ খেলতে না দেখার কারণ ছিল, বাছাইপর্বে যেন ওকে আমরা ফ্রেশভাবে পাই। কারণ পেস বোলারদের অনেক বেশি নার্সিং করতে হয়। আর যেহেতু ও অনেক তরুণ তাই ওকে ওভারলোড করতে চাইনি।'


বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকালে পাকিস্তানের পথ ধরবে বাংলাদেশ দল। ৫ ও ৭ তারিখ স্কটল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড বিপক্ষে খেলবে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ। ১০ এপ্রিল থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে মূল পর্ব শুরু করবে বাংলাদেশ।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন