রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে এজেই বলেন, ‘ইউরোপীয়দের এই শত্রুতামূলক পদক্ষেপের, যেখানে তারা বিপ্লবী গার্ডসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, অবশ্যই জবাব দেয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘তারা তাদের এই বোকামির পরিণতি ভোগ করবে।’ তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
মার্কিন হামলার আশঙ্কার মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইরানের আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায় ইইউ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা ক্যালাস।
আরও পড়ুন: আশা করি ইরানে হামলা চালাতে হবে না, বললেন ট্রাম্প
ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই সিদ্ধান্তকে তেহরান সরাসরি রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত উসকানি হিসেবে দেখছে। বিশ্লেষকদের মতে, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করা হলে ইরান ও ইউরোপের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে এবং পারমাণবিক ইস্যুসহ অন্যান্য আলোচনাও প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে সামরিক পদক্ষেপের হুমকির পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, ইরানের বিরুদ্ধে এখনই সামরিক পদক্ষেপ না করা নিয়ে আশাবাদী তিনি। ট্রাম্প বলেন, আমার প্রথম মেয়াদেই আমি মার্কিন সেনাবাহিনীকে আরও জোরদার করে গড়ে তুলেছিলাম। এখন আমাদের একটি বড় ও শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ইরানের দিকে এগোচ্ছে। আশা করি, আমাদের এটি ব্যবহার করতে হবে না।
]]>
৪ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·