প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই ডিজিটাল ব্যবস্থাটি চালু হওয়ার পরই দেশটিতে বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় থাকা নানা অসঙ্গতি দূর হয়েছে এবং মানবপাচার ও শোষণের পথ বন্ধ হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রতিষ্ঠানটির আইনজীবী লুই অ্যান্ড ভুলার-এর মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এফডব্লিউসিএমএস-এর বিরুদ্ধে বর্তমানে যেসব সমালোচনা শোনা যাচ্ছে, তা বস্তুনিষ্ঠ নয় এবং তা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হচ্ছে না। বরং যারা এই সিস্টেমের বিরোধিতা করছেন, তারা পুরনো সেই অশুভ চক্রের সুবিধাভোগী যারা অভিবাসী কর্মীদের শোষণ করে লাভবান হতো।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা মানহানিকর বক্তব্য দেয়া হলে প্রতিষ্ঠানটি কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বেস্টিনেট আরও জানায়, এফডব্লিউসিএমএস চালুর আগে বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনা ছিল সম্পূর্ণ ম্যানুয়াল বা হাতে-কলমে। তখন দলিলাদি জালিয়াতি, কোটা নিয়ে কারসাজি এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দাপটে প্রতি বছর বিলিয়ন রিঙ্গিতের আর্থিক ক্ষতির শিকার হতো রাষ্ট্র। এই সমস্যা সমাধানে ১৫টি উৎস দেশ, ২৩২টি মেডিকেল সেন্টার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাকে নিয়ে একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এফডব্লিউসিএমএস গড়ে তোলা হয়েছে। এটি তৈরির আগে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার পরামর্শ নেয়া হয়েছে।
খরচ বৃদ্ধির অভিযোগ প্রসঙ্গে বেস্টিনেট জানায়, নতুন কাঠামোর ফলে বিভিন্ন খাতে আলাদা খরচ কমেছে, যা সামগ্রিক ব্যয় কমিয়ে এনেছে। এছাড়া ২০১২ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বিনা পারিশ্রমিকেই এই সেবা দিচ্ছে। ২০১৭ সালে ভিয়েনাতে এফডব্লিউসিএমএস জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
সবশেষে প্রতিষ্ঠানটি আশ্বস্ত করেছে, চুক্তির মেয়াদ শেষে এফডব্লিউসিএমএস-এর পূর্ণ মালিকানা সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তাই জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই। ২০১২ সাল থেকে নেয়া প্রতিটি সিদ্ধান্তই বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কঠোর যাচাই-বাছাই ও যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·