বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে আলোচনায় ‘তুরাপ’, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রীসভায়

১ সপ্তাহে আগে
মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত নতুন পদ্ধতি ‘দ্য ইউনিভার্সাল রিক্রুটমেন্ট অ্যাডভান্সড প্ল্যাটফর্ম’ বা ‘তুরাপ’ বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি বর্তমানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত এই সিস্টেমটি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলা হবে।

 

তিনি বলেন, ‘মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি উত্থাপনের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের সুনির্দিষ্ট মতামত ও অবস্থান বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে।’

 

বিদেশি কর্মী নিয়োগের দায়িত্বে থাকা মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবিত নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘তুরাপ’ নিয়ে ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি দল পিকেআর-এর ৯ জন সংসদ সদস্য সিস্টেমটির স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

 

আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে এআই প্ল্যাটফর্মের প্রস্তাব নিয়ে যা জানা গেল

 

জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই সিস্টেমটি তৈরির দায়িত্বে আছে ‘বেস্টিনেট এসডিএন বিএইচডি’ নামক একটি প্রতিষ্ঠান।

 

পান্ডানের সংসদ সদস্য রাফিজি রামলি এই প্রক্রিয়ার কড়া সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, বর্তমান মানবসম্পদ মন্ত্রী আর. রামানান কেবল ‘তুরাপ’ সিস্টেমটিকেই সমর্থন করছেন না, বরং বর্তমানে প্রচলিত ‘ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এফডব্লিউসিএমএস) পরিচালনার ক্ষেত্রে বেস্টিনেটের বিতর্কিত রেকর্ডকেও আড়াল করার চেষ্টা করছেন।

 

রাফিজি আরও বলেন, মন্ত্রীর এমন অবস্থান এফডব্লিউসিএমএস নিয়ে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ সংস্থার করা নেতিবাচক প্রতিবেদন এবং পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের সম্পূর্ণ পরিপন্থি। সিস্টেমটির সঙ্গে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা এবং এর স্বচ্ছতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো এখন মালয়েশিয়ার অভিবাসন খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন