পাইবাসের কোচিং ক্যারিয়ার বেশ সমৃদ্ধ। দুই দশকেরও বেশি সময়জুড়ে কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনি। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ফাইনালে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। পরে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের সঙ্গে দীর্ঘ সময় যুক্ত ছিলেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৬ সালে দেশটির পুরুষ, নারী ও অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়, যা ক্যারিবীয় ক্রিকেটের জন্য এক স্মরণীয় অধ্যায়। ২০১৮ সালে হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু করে পরের বছর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচের দায়িত্বও সামলান তিনি।
আরও পড়ুন: টেন্ডুলকারকে দেয়া সেই ‘আউট’ নিয়ে ২২ বছর পর মুখ খুললেন বাকনার
এর আগে ২০১২ সালে স্বল্প সময়ের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ ছিলেন পাইবাস। সেই অধ্যায়টি অবশ্য কিছু বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল এবং বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
আফগানিস্তানের কোচ হিসেবে পাইবাসের প্রথম দায়িত্ব হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ। ১৩ মার্চ শারজাহে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে এই লড়াই।
নতুন কোচের অধীনে দল কত দ্রুত ছন্দে ফিরতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। বিশ্বকাপের হতাশা কাটিয়ে ভবিষ্যতের বড় টুর্নামেন্টগুলোর প্রস্তুতি গুছিয়ে নিতে পাইবাসের অভিজ্ঞতাই হতে পারে আফগানদের বড় ভরসা।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে: মুশতাক
২০২২ সালে দায়িত্ব নেয়া ট্রটের অধীনে আফগানিস্তান সাদা বলের ক্রিকেটে কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছিল। আফগানদের এবার আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ পাইবাসের সামনে।
]]>
৪ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·