বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ ট্রাম্পের

২০ ঘন্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশের আমদানি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তার এ ঘোষণা অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ করা হয়েছে। যেখানে এতদিন বাংলাদেশি পণ্যে গড়ে ১৫ শতাংশ করে শুল্ক ছিল।

বুধবার (২ এপ্রিল) ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় বিকেল ৪টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার দিনগত রাত ২টা) হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে এ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন তিনি।

 

ট্রাম্পের ঘোষণায় ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, মিয়ানমারের পণ্যে ৪৪ শতাংশ, লাওসের পণ্যে ৪৮ শতাংশ এবং মাদাগাস্কারের পণ্যের ওপর ৪৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।


আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রে একজন প্রেসিডেন্টই দুইবারের বেশি দায়িত্ব পালন করেছিলেন, কীভাবে?


তৈরি পোশাকে বাংলাদেশের অন্যতম রফতানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে বছরে রফতানি হয় প্রায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রফতানি ছিল ৭ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলার। 


এদিকে, শুল্ক আরোপের দিনটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, ‌‘কয়েক দশক ধরে আমাদের দেশকে দূরের ও কাছের বন্ধু ও শত্রু নির্বিশেষে বিভিন্ন দেশ লুট করেছে, লুণ্ঠন করেছে, ধর্ষণ করেছে এবং ধ্বংস করেছে। বিদেশি মেথররা আমাদের এক সময়ের সুন্দর আমেরিকান স্বপ্নকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন