শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মহিপুর এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মো. রাফিউল করিম (১৮)। তার বাড়ি শেরপুর শহরের শ্রী-রামপুরপাড়া এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে।
তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন সাথী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রাফিউল শেরপুর শহীদিয়া আলীয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে থেকে এবারের আলিম পরীক্ষায় অংশ নিয়ে (জিপিএ-৫) পেয়ে উত্তীর্ণ হন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর শেরপুর বাসস্ট্যাণ্ড কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার ব্যানারে শহীদ ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। আর এই মিছিলে অংশ নেন শিবিরকর্মী রাফিউল করিম। কর্মসূচি শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি যাচ্ছিলেন তিনি। একপর্যায়ে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের মহিপুর নামক স্থানে পৌঁছালে অজ্ঞাতপরিচয়ের যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে মারা যান ওই শিবিরকর্মী।
আরও পড়ুন: স্ত্রীকে হত্যার পর সেপটিক ট্যাংকে মরদেহ রেখে থানায় নিখোঁজের জিডি, অতপর..
ইসলামী ছাত্রশিবির শেরপুর শহর শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রাফিউল করিম শিবিরের সাথী ছিলেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়ে এই শিবির নেতা বলেন, ঘাতক বাসটিকে চিহ্নিত করে চালক-হেলপারকে আটক করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের ঘটনাটি শুনেছি। তবে বিষয়টি হাইওয়ে পুলিশ দেখভাল করছেন। আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে দাবি করেন তিনি।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·