গত ০১ জানুয়ারি থেকে ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৫১৪ জন রোগী হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জন শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৫ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ৪৩৩ জন।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৩ জন এবং জেনারেল হাসপাতালে ১০ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৩ জন এবং ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৩২ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতাল দুইটিতে আইসোলেশন সেন্টারে রোগীরা চিকিৎসাধীন।
হামে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৬ জন শিশু ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। তাদের মধ্যে দুই জনের বাড়ি মাদারীপুর, অন্য চার জনের বাড়ি ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও যশোর জেলায়।
আরও পড়ুন: হামে প্রাণ গেল শিশু আব্দুল্লাহর, ফরিদপুর মেডিকেলে নতুন ভর্তি ১৬
সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, হাম আক্রান্ত উপসর্গের রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালে সিট সংকুলন না হওয়ায় হাসপাতালের বারান্দা ও মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা।
তিনি আরও জানান, ২০ এপ্রিল থেকে জেলায় হামের বিশেষ টিকা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ৬ মাস বয়সী শিশু থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে এই টিকা দেওয়া হচ্ছে। ২ হাজার ৬৯৩ টি টিকা কেন্দ্রে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশুকে হামের টিকা দেয়া হবে।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·