আজ শনিবার আল জাজিরা অ্যারাবিককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। গালিবাফ বলেন, এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা সব দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং ইরান টেকসই নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেয়।
তিনি আরও বলেন, বাইরের হস্তক্ষেপ ছাড়াই আঞ্চলিক দেশগুলো দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করতে সক্ষম। তার মতে, অঞ্চলের অস্থিতিশীলতার মূল কারণগুলো সমাধান করা জরুরি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অংশগ্রহণ ছাড়া।
ইরানের স্পিকার আরও বলেন, ‘এটি ইসরাইলের যুদ্ধ, আর এর ফলে যে নিরাপত্তা সংকট ও ক্ষতি হচ্ছে, তা সারা বিশ্বে প্রভাব ফেলছে।’ তিনি আরও জানান, এই সংঘাতের জন্য ইরান আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল এবং নিজেদের রক্ষা করার সক্ষমতা তারা দেখিয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে আবারও বিমান হামলা
তার ভাষায়, ‘নিজেদের অবস্থান রক্ষা করতে ইরান বাধ্য হয়ে অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থের ওপর হামলা চালিয়েছে।’ তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আরও উত্তেজনা বাড়ানো হলে ‘যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে কঠোর ও ব্যাপক জবাব’ দেয়া হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক আগ্রাসন শুরু করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। ওইদিনই দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন।
জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীগুলো ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে থাকা মার্কিন ও ইসরাইলি অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। এরপর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: এখন পর্যন্ত শত্রুপক্ষের ১৬০টির বেশি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে: ইরান
আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) রক্তক্ষয়ী এই সংঘাত ৩৫তম দিনে গড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত লড়াই থামানোর কোনো লক্ষণ নেই। বরং যতই দিন যাচ্ছে, ক্রমেই আরও তীব্র হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া ৪৮ ঘণ্টার একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·