বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাত ৯টার দিকে গুলশান পুলিশ প্লাজার উত্তর পাশের সড়কে এই গুলির ঘটনা ঘটে।
সুমনের বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায়। বাবার নাম মাহফুজুর রহমান। বর্তমানে তিনি মিরপুর ভাষানটেক এলাকায় দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন।
নিহতের স্ত্রীর বড় ভাই বাদশা মিয়া রুবেল জানান, সুমন আগে মহাখালী টিভি গেট এলাকায় থাকতেন। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে ইন্টারনেট ও ডিস ব্যবসা করেন। মহাখালী টিভি গেটে প্রিয়জন নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার। পাশাপাশি বনানী এলাকায় যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১
তিনি আরও জানান, ‘ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসী রুবেলের সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব চলছিল। বেশ কিছুদিন ধরে সুমনকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল তারা। তারাই সুমনকে গুলি করে হত্যা করেছে।’
গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মারুফ আহমেদ বলেন, ‘সুমন নামে ওই ব্যক্তি পুলিশ প্লাজার উত্তর পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখানে কয়েকজনের সঙ্গে হঠাৎ ধস্তাধস্তি হয়। এক পর্যায়ে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করলে তিনি দৌড়ে রাস্তার ওপর চলে যান। এরপরও তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে তাকে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার বিস্তারিত জানতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এছাড়া ঘটনায়স্থলে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।’
]]>