পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, শাহিন চোখে কম দেখতেন। ডায়াবেটিসসহ নানান রোগে ভুগছিলেন তিনি। রোববার বিকেলে প্রতিদিনের মতো আসরের নামাজ পড়তে কুমারখালী বড় জামে মসজিদে গিয়েছিলেন তিনি। সন্ধ্যা হওয়ার পরও বাড়ি না ফিরলে স্বজনরা তার খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে কুমারখালী সরকারি কলেজের পুকুরে তার স্যান্ডেল দেখতে পান স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ওইদিন রাত ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও তার খোঁজ মেলেনি। পরে সোমবার সকাল ৮টা থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান শুরু করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। দুপুরের দিকে শাহিনের খোঁজ পান ফায়অর সার্ভিস সদস্যরা।
পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন: ঢামেকে তরুণীর মরদেহ রেখে পালাল ‘স্বামী’
শাহিনের স্ত্রী সাহিদা বেগম বলেন, আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও মস্তিষ্কের জটিল রোগে ভুগছিলেন। চোখেও কম দেখত। প্রতিদিনের মতো রোববার বিকেলে আসরের নামাজ পড়তে কুমারখালী বড় জামে মসজিদে গিয়েছিলেন। তিনি তাবলীগ জামায়াতেও অংশ নিতেন। তবে মাগরিব নামাজের পরেও বাড়িতে না ফিরলে সবাই মিলে খোঁজ শুরু করি। পরে কলেজের পুকুরে তার স্যান্ডেল ভাসতে দেখা যায়। আর সকাল ওই পুকুর থেকে মৃত অবস্থায় আমার স্বামীকে পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: বিছানায় মেয়ের লাশ, পাশে মাথায় হাত পুলিশ সদস্য বাবার
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, স্বজন ও এলাকাবাসীর কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহটি সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে পুকুরে পড়ে গিয়ে পানিতে ডুবে বৃদ্ধ শাহিনের মৃত্যু হয়েছে।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·