এর আগে ২০ ডিসেম্বর দুপুরে সংকুচিং চাকমা অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের হাতে অপহরণের শিকার হন। তিনি কৌশলে পালিয়ে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় সকাল ১০টায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস।
তিনি জানান, সংকুচিং চাকমা দুর্বৃত্তদের হাত থেকে পালিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় সকাল ১০টায় নিরাপদ স্থানে পৌঁছান।
পালিয়ে আসা সংকুচিং চাকমা (৩৫) বলেন, আমি পাহাড়ে কৃষিকাজ করার সময় একদল অস্ত্রধারী অপহরণকারীরা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নিয়ে যায়। তারা বিভিন্ন উপায়ে আমার থেকে মুক্তিপণ দাবি করে যাচ্ছিল। আমি বলছি আমি গরীব কৃষিকাজ করে জীবনযাপন করি। ভোরে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি কৌশলে পালিয়ে আসি।
আরও পড়ুন: অবরোধে আটকা পড়ল অপহরণকারীর গাড়ি, অপহৃত কলেজছাত্রী উদ্ধার
অপহরণের আগেই পালিয়ে আশা বৃদ্ধ এবাদুল্লাহ (৬০) জানান, সন্ত্রাসীরা হঠাৎ তাদের ওপর হামলা চালান এবং সংকুচিংকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যান। তাকেও অপহরণের চেষ্টা করা হলে তিনি দৌড়ে পালিয়ে যান। পালানোর সময় দুর্বৃত্তরা তার দিকে গুলি ছোড়ে বলেও দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে মুক্তিপণের উদ্দেশেই ওই যুবককে অপহরণ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপহৃত যুবক পালিয়ে আসায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং পাহাড়ি এলাকায় অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও ভুক্তভোগীদের তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ২৭৫ জন অপহরণের শিকার হয়েছেন। ভুক্তভোগীদের অধিকাংশই মুক্তিপণের বিনিময়ে ফিরে এসেছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

৩ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·