পানি দিবসের আলোচনায় মিঠা পানির উৎস সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ

১ সপ্তাহে আগে
বিশ্ব পানি দিবস-২০২৫ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে মিঠা পানির প্রাপ্যতা ও প্রবেশযোগ্যতা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 রোববার (২৩ মার্চ) বিকেলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত গোল টেবিল বৈঠকে মিঠা পানির উৎস সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল পানির প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নীতিগত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। 


হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোঅপারেশন বাংলাদেশ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি, পানি ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগ এবং ডর্প যৌথভাবে এই আয়োজন করে।


আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা জানান, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটসহ উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীর প্রবাহ কমে যাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সুপেয় পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়া, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও শিল্প দূষণের কারণেও পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে।

আরও পড়ুন: উপকূলবাসীর সুপেয় পানি সংকটের টেকসই সমাধান কবে?

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. সানাউল ইসলাম আলোচনায় বলেন, নদীর প্রবাহ হ্রাস, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন ও অপরিকল্পিত নগরায়ণ মিঠা পানির সংকটকে আরও গভীর করেছে। তিনি নারীদের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাবের কথাও তুলে ধরেন।


প্যানেল আলোচনায় সরকারি, বেসরকারি সংস্থা এবং একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা মিঠা পানির উৎস সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল পানির প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নীতিগত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।


আলোচনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা গবেষণা ও নীতি সহায়তা জোরদার করা, টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং পানি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন। বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনা সুপেয় পানি সংরক্ষণের জন্য সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: শ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট নিরসনে কলস নিয়ে মানববন্ধন

আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যার মধ্যে রয়েছে মিঠা পানির উৎস সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল পানির প্রযুক্তির ব্যবহার, স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্ব। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), এনজিও এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে নীতিগত হস্তক্ষেপ ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।


আলোচনায় সরকারি সংস্থা, একাডেমিক প্রতিষ্ঠান, নাগরিক সমাজ, উন্নয়ন সংস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। হেলভেটাস বাংলাদেশের পানি, খাদ্য ও জলবায়ু বিভাগের ডোমেইন কোঅর্ডিনেটর মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন