জানা যায়, ঝিনাইদহ জেলা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে ভৈরবা সাকোরখাল এলাকায় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি সীমান্তবর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্মাণ করা হলেও এখনও তার কার্যক্রম শুরু হয়নি।
চালু না হওয়ায় হাসপাতাল ভবনটি নষ্ট হতে শুরু করেছে। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে, দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতালের কিছু যন্ত্রাংশও চুরিও হয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: নামেই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল!
এ বিষয়ে সম্রাট নামের স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম হাসপাতাল চালু হলে আর দূরে যেতে হবে না। কিন্তু এখনো অসুস্থ হলে উপজেলা বা জেলা শহরে যেতে হয়। এতে সময় ও টাকা দুটোই নষ্ট হচ্ছে।’
খাদিজা বানু নামের এক বৃদ্ধা বলেন, ‘আমাগের এই হাসপাতাল কইরলো ম্যালা টাকা দিয়ে। কিন্তুক আজ পর্যন্ত দেখলাম না কোনো ডাক্তার আসতি। তাহলি হাসপাতাল করে লাভ কি হলো। আমরা চাই এডা যেন তাড়াতাড়ি চালু করা হয়।’
আরও পড়ুন: উলিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা, ঝুঁকিতে চিকিৎসা সেবা
হাসপাতাল চালুর ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘হাসপাতালটি চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত চালুর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তিনি জানান, হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারবেন, যা সীমান্তবর্তী এলাকার চিকিৎসা সংকট অনেকাংশে কমিয়ে দেবে।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·