এদিন সকালে নোবিপ্রবি কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। শুরুতেই নোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল জুলাই শহিদদের স্মরণে শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর নোবিপ্রবি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, নোবিপ্রবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
এরপর প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর নোবিপ্রবি বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে শুরু হয় আলোচনা সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। সভার শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ থেকে পাঠ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল বলেন, ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থান, প্রতিটি আন্দোলনের একটিই উদ্দেশ্য ছিল, তা হলো ন্যায় এবং সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আজকের এ দিনে ১৬ বছরের অত্যাচার, নির্যাতন, দাম্ভিকতা, ভোটাধিকারহরণ সহ যাবতীয় অন্যায়ের হাত থেকে আমরা মুক্তি পাই। যারা এ হত্যা-নির্যাতনে সহায়তা করেছে আমরা তাদের বিচার চাই।
আরও পড়ুন: নোবিপ্রবিতে জুলাই শহীদ দিবস পালিত
অনুষ্ঠানে শহিদ পরিবারের প্রতিনিধি, আহত শিক্ষার্থী, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নোবিপ্রবি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ, নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি ও নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবকে সম্মাননা স্মারক, আর্থিক সহায়তা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করা হয়। এছাড়াও জুলাই স্মৃতি চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, গণঅভ্যুত্থান শর্ট ফিল্ম ও ডকুমেন্টারি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এদিন বিকেলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, ভিডিও প্রদর্শনী, সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও দেয়ালিকা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।