মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেয়া স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘ঈশ্বরগঞ্জের সব বাজারে খাজনার চার্ট টানিয়ে তারপর খাজনা আদায় করতে হবে। প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে শতকরা ৫ শতাংশ খাজনা নিতে হবে। সব বাজারে ব্যবসায়ীরা মিলে খাজনার ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ হোন।’
তিনি আরও লিখেন, ‘সবাই শপথ করুন, চার্ট না টানানো পর্যন্ত কেউ খাজনা দিবেন না। আর যারা বাজার নিয়েছেন কেউ যদি নিয়মের বাহিরে খাজনা আদায় করেন, প্রমাণ পাওয়া মাত্রই তার নামে চাঁদাবাজির করা মামলা হবে।’
আরও পড়ুন: বাবার পথ ধরে ৩৫ বছর পর সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী হলেন মেয়ে পুতুল
মুহূর্তেই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তার স্ট্যাটাস স্কিনশট দিয়ে নিজ নিজ ফেসবুক একাউন্টে পোস্ট করে লেখেন, ‘এইবার ঠিক আছে, চাঁদাবাজদের লাগাম টেনে ধরতে এটা ভালো উদ্যোগ।’
স্ট্যাটাসের কমেন্ট বক্সে এমপি লুৎফুল্লাহেল মাজেদকে উদ্দেশ্যে সাঈদ আল রুবেল নামে একজন লিখেন, এই ধারাবাহিকতা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আগামী পাঁচ বছর পর আপনার কোনো কর্মী লাগবে না। জনগণ পায়ে হেঁটে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আসবে আপনাকে। কোনো মহল্লায় গাড়ি পাঠানো লাগবে না।
আশেক মাহমুদ শাকিল নামে একজন লেখেন, ‘চাঁদাবাজ সাবধান, খেলা শুরু হইয়া গেছে কিন্তু!’
এছাড়া প্রায় দুই ঘণ্টায় সাত শতাধিক মানুষ স্ট্যাটাসের কমেন্ট বক্সে উদ্যোগটিকে সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে স্বাগত জানিয়েছেন।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·