মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় চবির প্রধান ফটকে তালা দেওয়া হয়।
চাকসুর নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমান সোহান জানান, আমরা কয়েকদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, চাকসু থেকে অনলাইন, অফলাইন, অনেক ভাবে যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো প্রকার সহযোগিতা করা হচ্ছে না।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনেক কাউন্টারে যোগাযোগ করেছি, কিন্তু বাস পাচ্ছি না। পরে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করে বলি যে আমরা প্রয়োজনে চাকসুর ফান্ড থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস ব্যবহার করার জন্য টাকা ম্যানেজ করবো। কিন্তু উপাচার্য স্যার আমাদের কঠোর ভাবে বলেছেন যে তিনি আমাদের বাস ব্যবহার করতে দিবেন না। এর প্রতিবাদে আমরা এখানে গেট লক করেছি। আমাদের দাবি হচ্ছে, এ নির্বাচনে ভোট দিতে যাওয়ার জন্য যতক্ষণ পর্যন্ত বাস না দেওয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত গেট বন্ধ থাকবে।’
আরও পড়ুন: ভোট দিতে বাড়ি ফিরছেন চবি শিক্ষার্থীরা , যাতায়াতের বিশেষ ব্যবস্থা
ঘটনা কে কেন্দ্র করে চাকসুর যোগাযোগ ও আবাসন সম্পাদক মো. ইসহাক ভূঁঞা ফেইসবুক টাইমলাইনে প্রশাসনের অসহযোগিতা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানা যায় মাত্র দুটি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে যার মধ্যে একটি যাবে খুলনা এবং আরেকটি ময়মনসিংহ বিভাগে। তাছাড়া রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের ঢাকাগামী মেইল ট্রেনে ২ টি বগি ভাড়া করা হয়েছে।
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·