শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথ এবং বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলোর কয়েকশ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে এই ৫৭ জন দ্বিপাক্ষিক প্রতিনিধি যুক্ত হবেন। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।
দ্বিপাক্ষিক প্রতিনিধিদলের মধ্যে সবচেয়ে বড় দল পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া। দেশটির নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান দাতো শ্রী রামলান বিন দাতো হারুনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি দল বাংলাদেশে আসবে। এরপরই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ জন পর্যবেক্ষক পাঠাবে তুরস্ক। সাবেক তুর্কি রাষ্ট্রদূত মেহমেত ভাকুর এরকুলের নেতৃত্বে এই দলে তুরস্কের সংসদ সদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’
অন্যান্য দেশের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৫ জন, জাপান থেকে ৪ জন এবং পাকিস্তান থেকে ৩ জন পর্যবেক্ষক আসার কথা রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ জালাল সিকান্দার সুলতান এবং ভুটানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড্যাকি পেমা অন্যতম উল্লেখযোগ্য পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এ ছাড়া মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, জর্ডান, জর্জিয়া, রাশিয়া, কিরগিজস্তান এবং দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ২ জন করে এবং শ্রীলঙ্কা, ইরান ও উজবেকিস্তান থেকে ১ জন করে পর্যবেক্ষক প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে।
কমনওয়েলথের ১৪ সদস্যের পর্যবেক্ষক দলটির নেতৃত্ব দেবেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আডো। এই দলে মালদ্বীপের সাবেক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেফরি সালিম ওয়াহিদ এবং সিয়েরা লিওনের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড জন ফ্রান্সিস অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
আরও পড়ুন: প্রজাতন্ত্রের কর্মীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের প্রচার করতে পারবেন না: ইসি
অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের নেতৃত্বে থাকছেন লাটভিয়ার সংসদ সদস্য ইভারস ইজাবস। তার সঙ্গে অস্ট্রিয়া, রোমানিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র, স্পেন, আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসের ৭ জন ইউরোপীয় পার্লামেন্ট সদস্য পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দেবেন।
নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ জানান, পর্যবেক্ষক সমন্বয়ে তারা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন এবং আরও কিছু দেশ খুব শিগগিরই তাদের প্রতিনিধিদের নাম নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ৩০০টি সংসদীয় আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে প্রায় ২,০০০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই দিনে দেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের লক্ষ্যে ‘জুলাই সনদ’ বা রিফর্ম চার্টারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

৪ সপ্তাহ আগে
৮








Bengali (BD) ·
English (US) ·