‘নিজের ইচ্ছায় কিছু করিনি, আমাকে বাধ্য করা হয়েছে’

২ সপ্তাহ আগে
‘আমি নিজের ইচ্ছায় কিছু করিনি, আমাকে বাধ্য করা হয়েছে। ওই ছেলের জন্য, ওর পরিবারের জন্য আমার জীবন থেকে মনে হয় সব সুখ-শান্তি চলে গেছে।’ শুক্রবার (১৪ মার্চ) বিকেলে স্কুলের খাতায় এমন চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের শৌলা গ্রামের কিশোরী নাজনীন জাহান কুমকুম।

প্রেমের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় উত্যক্তের শিকার হয়ে ওই কিশোরী আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ স্বজনদের।


নিহত নাজনীন জাহান কুমকুম উপজেলার পূর্ব কালাইয়া হাসান সিদ্দিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।


জানা যায়, একই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী তাওসিন নামে এক কিশোর শুক্রবার অন্য এক সহপাঠীর সঙ্গে নাজনীনের তোলা একটি ছবির নোংরা মন্তব্য লিখে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। এতে লজ্জিত ও অপমানিত বোধ করে আত্মহত্যা করেন নাজনিন।


আরও পড়ুন: যুবদল নেতার গলাকাটা মরদেহের পাশে ‘প্রেম’ সংক্রান্ত চিরকুট


পরিবারের অভিযোগ, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে পথেঘাটে উত্যাক্ত করাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক) হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করত তাওসিন। গত কয়েকদিন আগে নাজনীনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়া হলে তাওসিনের পরিবারসহ শিক্ষকদের অবহিত করা হয়। তবে তারা কোনো ব্যবস্থা নেননি। এর বিচার চান নিহতের পরিবারের সদস্যরা ও এলাকাবাসী। এ ঘটনার পর এলাকা ছেড়েছে তাওসিন ও তার পরিবারের সদস্যরা।

 

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন