নিজের অভিনীত চলচ্চিত্র মনোনীত হলেও অস্কারে যেতে পারছেন না ফিলিস্তিনি অভিনেতা

৪ সপ্তাহ আগে
ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে অস্কার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না ফিলিস্তিনি অভিনেতা মোতাজ মালহিস। সপ্তাহের শেষে হতে যাওয়া এবারের অস্কারে মোতাজের অভিনীত একটি চলচ্চিত্রও রয়েছে যেটি মনোনীত হয়েছে।

এবারে ‘দ্য ভয়েস অফ হিন্দ রজব’ সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার চলচ্চিত্রের জন্য অস্কার-মনোনীত হয়েছে। যাতে মোতাজ অভিনয় করেছেন। 

 

২০২৪ সালে গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হাতে নিহত পাঁচ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি মেয়ের জীবনী নিয়ে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি।

 

আরও পড়ুন:স্বপ্নের কাছাকাছি গিয়েও অস্কার থেকে ছিটকে পড়ল ‘হোমবাউন্ড’


মোতাজ, সিনেমাটিতে একজন কল সেন্টার অপারেটরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এবং মেয়েটিকে সাহায্য করার চেষ্টা করছেন।

 

মোতাজ জানান, তিনি অস্কার নামে পরিচিত একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না কারণ তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।


‘আমার ফিলিস্তিনি নাগরিকত্বের কারণে আমাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।’ মোতাজ ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন। ‘এটা কষ্টের’ বলেও জানান তিনি।


ডিসেম্বরে বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ঘোষণাপত্রে ট্রাম্প বলেন, তিনি ‘ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের জারি করা বা অনুমোদিত ভ্রমণ নথি ব্যবহার করে ব্যক্তিদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে সীমাবদ্ধ এবং সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’


পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইট অনুসারে, নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে কয়েকটি দেশের লোকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার ঘোষণাপত্রটি ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছে।
 

তবে পররাষ্ট্র দপ্তর মন্তব্যের অনুরোধের তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া দেয়নি।

 

ছবিটি এমন একটি ঘটনা থেকে উদ্দীপিত হয়েছিল যেখানে রজবের পরিবারের পাঁচ সদস্য এবং তাকে বাঁচাতে যাওয়া দুই অ্যাম্বুলেন্স কর্মীও ইসরাইলি গুলিতে নিহত হন।

 

আরও পড়ুন:পশ্চিম তীরে একই পরিবারের ৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরাইল


মোতাজ বলেন যে, ছবিটির অন্যান্য ফিলিস্তিনি অভিনেতাদের নাগরিকত্ব রয়েছে যা মার্কিন ভ্রমণের অনুমতি দেয় তবে তার কাছে কেবল একটি ফিলিস্তিনি পাসপোর্টই রয়েছে।

 

এদিকে, রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিদেশি ফিলিস্তিনিপন্থি কণ্ঠস্বরকে বহিষ্কার করারও চেষ্টা করেছেন। শুক্রবার, একজন অভিবাসন বিচারক লেকা কোর্দিয়াকে মুক্তি দেয়ার আদেশ দিয়েছেন, যিনি গাজায় ১৭০ জনেরও বেশি পরিবারের সদস্যকে হারিয়েছেন এবং এক বছর ধরে আটক রয়েছেন। পূর্ববর্তী দুটি আদেশের ফলে তাকে মুক্তি দেয়া হয়নি।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন