ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের খাবারের স্বাদ ও গুণগত মান অটুট রাখতেই এই বিশাল পরিমাণ চাল পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদেশ বিভূঁইয়ে যেন হাজিরা তাদের চিরচেনা দেশি চালের স্বাদ পান এবং সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত হয়, সে লক্ষ্যেই এই প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে।
সরকার মনে করছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় ধান চাষিরা সরাসরি উপকৃত হবেন। এটি কেবল হাজিদের সেবাই নয়, বরং দেশের কৃষি পণ্যকে বৈশ্বিক পর্যায়ে তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ। এই চাল সরবরাহের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: ভোরের দোয়া ও জিকির
চাল পাঠানোর এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট লজিস্টিক সংস্থাগুলো যৌথভাবে কাজ করছে। নির্দিষ্ট মানদণ্ড বজায় রেখে চাল বাছাই ও প্যাকেটজাত করার কাজ শুরু হয়েছে, যাতে সঠিক সময়ে তা সৌদি আরবে পৌঁছানো সম্ভব হয়।
ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম জনবসতির দেশ এবং প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক মানুষ সেদেশ থেকে হজে যান। ২০২৬ সালের জন্য নেওয়া এই আগাম পদক্ষেপটি ইন্দোনেশীয় হাজিদের জন্য এক বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·