নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ গাজীপুরের বাসন থানা এলাকার বাসা থেকে নাশতা করার কথা বলে বের হয়েছিলেন ষাটোর্ধ্ব রফিকুল ইসলাম। মনের ভুলে হয়ত ফোন নেননি তিনি। এরপর থেকেই নিখোঁজ।
জানা যায়, থানায় সাধারণ ডায়েরির পাশাপাশি খোঁজাখুঁজি করা হয় বিভিন্ন এলাকায়। সবশেষ শুক্রবার (১৪ মার্চ) খোঁজ মিললো রফিকুল ইসলামের। তবে জীবিত নয়, ঢাকা মেডিকেলের হিমঘরে মিললো মরদেহ।
আরও পড়ুন: বিকেলে নিখোঁজ সন্ধ্যায় মিলল শিশুর মরদেহ
নিহতের স্বজনরা ঢাকা রেলওয়ে বিমানবন্দর থানায় গেলে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক বজলুর রশীদ জানান, রাজধানীর কাওলা এলাকায় ট্রেনের সামনের অংশে ধাক্কা লাগে রফিকুলের। ট্রেনের সঙ্গে আটকে গেলে তাকে টেনে নিয়ে যায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান প্রাণিসম্পদ গবেষণাগারের সাবেক এই গাড়িচালক। পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহ রাখা হয়েছিল মর্গে।
রবিনের সহকর্মীরা বলেন, ট্রেনে কাটা মরদেহে যেরকম আঘাতের চিহ্ন দেখে থাকে, সেরকম কোনো চিহ্ন এখানে দেখা যায়নি। তার কিছু জায়গায় আঘাতের চিহ্ন দেখে মনে হয় না যে, এটা ট্রেনে কাটা।
আরও পড়ুন: ডাস্টবিন থেকে খাবার কুড়িয়ে খাওয়ার ভিডিওতে খোঁজ মিলল যুবকের
ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি মর্গ থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর গাজীপুরের বাসন থানা এলাকায় দাফন করা হয় রফিকুল ইসলামের মরদেহ।
]]>