গেল বছরের ৩০ ডিসেম্বর বিমান পরিচালনা পর্ষদে ১৪টি বোয়িং কেনার ‘নীতিগত’ সিদ্ধান্ত হয় বলে গণ্যমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন কোম্পানির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম।
অনুমোদিত ১৪টি উড়োজাহাজের মধ্যে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স মডেলের। আর বহরে বর্তমানে ১৯টি মধ্যে ১৪টিই বোয়িংয়ের তৈরি।
নতুন এয়ারক্রাফট কিনতে বাংলাদেশ বিমানের সম্ভাব্য ব্যয় হবে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা। বহরে যুক্ত হতে পারে ২০৩১ সালের শেষ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক পরিচালক নাফীজ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘কিনতে যাওয়া এয়ারক্রাফটগুলো পাঠাতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। তবে এসব এয়ারক্রাফটের বয়স ১৫ বছর হলে রক্ষণাবেক্ষণে খরচ অনেক বেড়ে যায়। ফুয়েল খরচও বাড়ে। তবে বোয়িং এয়ারক্রাফট এয়ারবাসের চেয়ে সাশ্রয়ী।’
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে সরকার: বাণিজ্য সচিব
তিনি আরও বলেন, ‘কার্গোতে লাভ বেশি। আর বিমান সমস্ত কার্গো ব্যবস্থাপনা করে। ফ্লিট এক্সপেনশনের মধ্যে কার্গো এয়ারক্রাফট যুক্ত করা উচিত। যদি বলা হয়, এত বড় কার্গো এয়ারক্রাফট নিয়ে আসবে, রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারবে কি না। কিন্তু অন্যরা যদি পারে আমরা পারবো না কেন।’
বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে নিজ দেশের এয়ারক্রাফট বিক্রির লক্ষ্যে কূটনৈতিকভাবে তৎপর ছিল ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক চুক্তির অংশ হিসেবে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার কথা জানিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এর অংশ হিসেবেই এবার নতুন এই সিদ্ধান্ত নিলো সরকার।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·