‘নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ’,‘মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা’

২ সপ্তাহ আগে
প্রতিদিন পাঠকের কাছে দেশের আলোচিত ঘটনা, রাজনৈতিক উত্তাপ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সমাজের পরিবর্তন এবং বিশ্বমঞ্চের নতুন বার্তা তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো। তথ্যপিপাসুদের তথ্যের চাহিদা মেটাতে সময় সংবাদ দেশের প্রধান প্রধান সংবাদপত্রের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম পাঠকের সামনে তুলে ধরছে। এক নজরে জেনে নিন দেশের প্রধান সংবাদপত্রগুলোর প্রতিবেদন।

দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।


নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ- মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।


আনলাকি থার্টিন। সংখ্যাটি অশুভ মনে করেন অনেকে। ইতিহাস বলছে, কথাটি এসেছে বাইবেলে বর্ণিত ‘লাস্ট সাপার’ বা ‘শেষ নৈশভোজের’ পরিপ্রেক্ষিতে। কিন্তু সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে ১৩ সংখ্যাকে ভিন্নভাবে দেখার সুযোগ আছে। ১৩ হচ্ছে প্রাইম নাম্বার। এটি শুধু ১ ও নিজের দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য।

আনলাকি থেকে লাকি। ভাগ্যবিড়ম্বনা থেকে সৌভাগ্যের চাবিকাঠি। কথাটির প্রাসঙ্গিকতা এখানে সঙ্গতকারণে। একদিন আগেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এক ডজন সংসদের ইতিহাস রয়েছে কার্যবিবরণীতে। যার বেশির ভাগই ছিল বিবর্ণ। বিতর্কিত। একতরফা। ক্ষমতার কেন্দ্র ছিল ব্যক্তিকেন্দ্রিক। কিন্তু এবার স্বপ্ন নিয়ে আমজনতা রায় দিয়েছেন ১২ই ফেব্রুয়ারি। ‘সবার আগে দেশ’ এই স্লোগানকে ধারণ করেছে কোটি কোটি মানুষের ব্যালট।


চব্বিশের জুলাই নতুন এক তাগিদ তৈরি করেছে লাল সবুজের এই জমিনে। ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলনে শেখ হাসিনার দেশত্যাগে নতুন প্রেক্ষাপট রচিত হয়। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার নানা সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে সিরিজ প্রস্তাবনা শেষে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করে। ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়েও শেষতক ছিল দ্বিধা। কী হবে না হবে? তবে বাস্তবতা হচ্ছে কোনোরকম রক্তপাত, হানাহানি ছাড়াই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। যা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে অনন্য নজির। নিঃসন্দেহে এই ভোট উৎসবের জন্য ধন্যবাদ পেতে পারেন ইউনূস প্রশাসন এবং নাসির কমিশন। এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনের ইতিহাসেও ভিন্ন দৃষ্টান্ত। এবারের নির্বাচনে লক্ষণীয় ছিল একইসঙ্গে দু’টি ব্যালট। একটি গণভোট, অন্যটি জাতীয় নির্বাচন।


ভোটের ব্যালটে লক্ষণীয় ছিল তারুণ্যের জোয়ার। দলমতনির্বিশেষে প্রত্যাশিত জনরায় দিয়েছে বিএনপি জোটকে। আর সেই জয়ের নায়ক একজনই- তারেক রহমান। ডানপিটে, অবাধ্যতার খোলস ছাড়িয়ে যিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। নিয়ে গেছেন সাধারণের কাতারে। অগুনতি মানুষের হৃদস্পন্দন আর অনুভূতিকে ধারণ করে জয় পেয়েছেন লাইনচ্যুত ট্রেনকে ট্র্যাকে তোলার। হুইসেল বাজাবার। এগিয়ে যাবার। এই জয় এসেছে একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের পক্ষে।



মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন যারা- কালের কণ্ঠের প্রথম পাতার খবর এটি।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় পেয়েছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১২টি আসন পেয়েছে। দীর্ঘ দুই দশক পর নতুন সরকার গঠন করতে যাচ্ছে তারা। বিএনপির এই মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন, সবার নজর এখন সেদিকে।


এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোরালো আলোচনা। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেওয়ার পরই মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষণ গণনা শুরু হবে। বিএনপি নেতারা মনে করেন, সাংবিধানিকভাবেই নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে। তারা আশা করছেন, স্বল্প সময়ের মধ্যেই শপথ পড়ানো হবে এবং দেশবাসী নতুন সংসদ সদস্যদের পাশাপাশি নতুন মন্ত্রিপরিষদ দেখতে পাবে।


দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা হবে নবীন-প্রবীণের মিশেলে। অতীতে দলের প্রতি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মন্ত্রিপরিষদে তাঁরা জায়গা পাবেন। দল থেকে যাঁদের মনোনয়ন দেওয়া হয়নি, নতুন মন্ত্রিসভায় তাঁদের মূল্যায়ন করা হবে। বিষয়ভিত্তিক যারা এক্সপার্ট, তাঁরাই এবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাচ্ছেন।


ঢাউস কোনো মন্ত্রিসভা করা হবে না বলে জানা গেছে।


নতুন মন্ত্রিসভার বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক যে যাত্রা শুরু হলো, তা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। সব রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং সংবিধানের কাঙ্ক্ষিত গণতান্ত্রিক সংস্কার করা হবে—এটা আমাদের লক্ষ্য ছিল।’


তিনি বলেন, ‘অনেক আগে থেকেই আমরা আমাদের ইশতেহার প্রণয়ন করেছি। এর মধ্যে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মধ্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে। এই রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল আমরা অক্ষর অক্ষরে পালন করব।’


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা আশা করি, বিকেলের (গতকাল শুক্রবার) মধ্যে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণা করবে এবং তার পর থেকে ক্ষণ গণনা শুরু হবে। সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার বিষয়টি সাংবিধানিকভাবেই হবে।’


 

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের দ্বিতীয় প্রধান খবর— Fresh faces and old guards: BNP to blend continuity with change in new cabinet; অর্থাৎ বিএনপির নয়া মন্ত্রিসভায় পুরাতনের পাশাপাশি থাকছে নতুন মুখ।

এই খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর বিএনপি তাদের মন্ত্রিসভার আকার প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছে। তাতে অভিজ্ঞ ও তরুণ, নির্বাচিতদের পাশাপাশি টেকনোক্রেট কোটায়ও যুক্ত হচ্ছেন কেউ কেউ।


এর মধ্যে ২০০১-২০০৬ মেয়াদের মন্ত্রিপরিষদের দায়িত্বে থাকা কয়েকজনকে এবারও অন্তর্ভুক্ত করার কথা বিবেচনা করছে বিএনপি।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। স্পিকার হিসেবে ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাসকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।


গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনাধীন।


এছাড়া, পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে স্থায়ী কমিটি এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে।


নতুন মন্ত্রিসভায় নয়া মুখ হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালযয়ে রুহুল কবির রিজভী (টেকনোক্র্যাট), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানির নাম বিবেচনায় আছে।


চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও আইনজীবী ফজলুর রহমানও আলোচনায় রয়েছেন।


এদিকে, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে 'জাতীয় সরকার' গঠনের ঘোষণা আগেই দিয়েছিল বিএনপি। এর বাস্তবায়ন দেখা দেখা যাবে নতুন মন্ত্রিসভায়।


তার মধ্যে ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নূর, ড. রেজা কিবরিয়া ও মোস্তফা জামাল হায়দারের নাম আলোচনায় আছে।

 


সমকালের প্রধান শিরোনাম— জয় নিরঙ্কুশ, ভোটব্যাংকে বড় পরিবর্তন।
 

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অতীতের ভোটের সব হিসাবনিকাশ পাল্টে গেছে।


আসনভিত্তিক দলগুলোর ভোটব্যাংকেও এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।


বিএনপি ২০০-এর বেশি আসন পেলেও অন্তত ৫০টি আসনে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে ১০ হাজারের কম ভোটের ব্যবধানে। পাশাপাশি পাঁচ হাজারের কম ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে ২১টি আসনে।


এমনকি অতীতে বিএনপির দুর্গখ্যাত জেলাগুলোতেও দলটি আসন হারিয়েছে।


অন্যদিকে, প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের দুর্গখ্যাত গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, গাজীপুর, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জের মতো জেলার আসনগুলোতে একচেটিয়া আসন লাভের কারণে জয়ের ব্যবধান অনেক বড় হয়েছে।


জাতীয় পার্টির দুর্গ হিসেবে পরিচিত রংপুর বিভাগে এবার লাঙ্গল প্রতীক কোনো আসনে জয়ী হতে পারেনি। এমনকি দেশের কোনো জেলার আসনেই দলটির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি।


ইসি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জামায়াত এই নির্বাচনে ৬৮টি আসন পেলেও দলভিত্তিক হিসেবে উপস্থিত ভোটের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ ভোট পেতে পারে।


 


যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর— সংসদ নির্বাচনে ভোটের হার ৫৯.৪৪, গণভোটে ৬০.২৬।


এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।


অন্যদিকে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের হার ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ।


অর্থাৎ একই দিন দুটিরই ভোটগ্রহণ হলেও ভোট পড়ার হারে দশমিক ৮২ শতাংশ পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।


এর মধ্যে গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়ী হয়েছে।


গণভোটে 'হ্যাঁ' এর পক্ষে রায় পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ। আর 'না' এর পক্ষে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন ভোট দিয়েছেন।



 


দুই যুগ পর নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে সরকারে যাচ্ছে বিএনপি— প্রথম আলোর প্রধান খবর এটি।
 

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় দুই যুগ পর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।


এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টি। জোটের শরিকেরা পেয়েছে আরও ৩টি আসন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২১২।


তবে আরও দুটি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা আছে বিএনপির। আদালতের নির্দেশে এ দুটি আসনের ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে।


দলটির ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিএনপির বিজয়ী সদস্যদের মধ্যে ধর্ম, লিঙ্গ, নবীন-প্রবীণের বৈচিত্র্য রয়েছে। সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে যারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের সবাই জয়ী হয়েছেন। এবার নির্বাচিতদের মধ্যে ছয়জন নারী সদস্য রয়েছেন; যা অন্য দলে নেই।


নতুন সরকারকে আর্থসামাজিক ও সংস্কারের মতো নানা জটিল বিষয়ের সমাধান করতে হবে।


সংসদের ভেতরে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী বিরোধী দলকে মোকাবেলা করতে হবে।


 


দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার খবর— World leaders congratulate the BNP; অর্থাৎ বিএনপিকে বিশ্বনেতাদের অভিনন্দন।


এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়ায় বিএনপি এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহীম ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফসহ বিদেশি নেতারা অভিনন্দন জানিয়েছেন।


দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার এবং অভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন তারা।


এর মধ্যে নরেন্দ্র মোদীই প্রথম বিদেশি নেতা, যিনি গতকাল তারেক রহমানের সাথে কথা বলেছেন এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন।


এছাড়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ অভিনন্দন জানিয়েছে।

 


বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর— বিজয়ীদের গেজেট আজ, শপথ হতে পারে সোমবার।


ইসি সূত্রে এতে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ করা হবে আজ শনিবার।


আর আগামী সোমবার বিজয়ীদের শপথ পড়ানো হতে পারে।


ইতোমধ্যে সারাদেশের রিটার্নিং অফিস থেকে বিস্তারিত ফলাফল ইসিতে এসে পৌঁছেছে। তবে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের স্বাক্ষর সংবলিত আসনভিত্তিক ফলাফলের মূল প্রামাণ্য দলিল এখনো ইসিতে আসেনি বলে জানা গেছে।


এসব দলিলের হার্ড কপি সরাসরি বহন করে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের বিশেষ দূতের মাধ্যমে কমিশনে আসার কথা রয়েছে।


এই ফলাফল পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) কমিশনের পাঁচ সদস্যের স্বাক্ষর শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজি প্রেসে পাঠানো হবে গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য।
 

 


নিউ এইজের প্রথম পাতার একটি শিরোনাম— One killed, 31 injured in post-polls violence; অর্থাৎ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় নিহত ১, আহত ৩১ জন।


এই খবরে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, পটুয়াখালী, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুর জেলায় নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও সংঘর্ষে অন্তত একজন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছেন।


নিহত ব্যক্তির নাম মো. জসিম নায়েব (৩০), তিনি মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক ছিলেন জসিম নায়েব।


গতকাল শুক্রবার বিকেলে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার আধরা ইউনিয়নে সহিংসতার ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।


নিহতের ভাই মশিউর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপির প্রায় দুইশ মতো সমর্থক তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ভাইকে গালিগালাজ করে এবং জসিমকে মারাত্মকভাবে মারধর করে।


পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও জসিমের জীবন বাঁচানো যায়নি।

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন