শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাতে অটোরিকশা চালক ইমন খান (২৫) ও মিঠু মিয়া নামের দুজনকে আটক করা হয়।
কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে ওই কিশোরী ৩ জন বান্ধবীর সঙ্গে গ্রামের বাড়ি থেকে দিরাই শহরে শপিং মার্কেটে নতুন কাপড় কিনতে আসে। দুজন বান্ধবী কেনাকাটা শেষে আগেই বাড়ি চলে যায়। নির্যাতিতা কিশোরী সন্ধ্যায় কেনাকাটা শেষে বাড়ি ফেরার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে। এ সময় অটোরিকশার যাত্রী হয়ে আরও দুই যুবক ওঠে। পরে চালক গাড়িটি দিরাই বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ছেড়ে মেয়েটির গ্রামের বাড়ির সড়কে এলে চালককে গাড়ি থামিয়ে নামিয়ে দেয়ার কথা বলে।
চালক মেয়েটির কথা না শুনে জোরপূর্বক গাড়ি চালিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে কিশোরীকে কয়েক কিলোমিটার দূরের গণিগঞ্জ এলাকায় নিয়ে আসে। এ সময় গাড়ির যাত্রীবেশী দুই যুবক চালকের সহায়তায় শুরুতে শ্লীলতাহানি ও পরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। আত্মরক্ষায় মেয়েটি চলন্ত গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়।
আরও পড়ুন: মেজর পরিচয়ে শ্বশুর বাড়িতে প্রভাব বিস্তার, অতঃপর...
পরে খবর পেয়ে কিশোরীর বাবা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ওই হাসপাতালের সেবিকা জানান, চলন্ত গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ায় কিশোরী বেশ আহত হয়েছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক বলেন, এ ঘটনায় ১৪ মার্চ রাতেই দিরাই উপজেলার জকিনগর গ্রামের অটোরিকশা চালক ইমন খান (২৫) ও মিঠু মিয়া নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে। আরেক যুবককে আটকের অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
]]>