গত শুক্রবার (২১ মার্চ) দক্ষিণ গিয়ংনামের প্রদেশের সানচেংয়ের একটি পাহাড় থেকে দাবানলের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশজুড়ে এখন ৩০টি বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।
ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ বলছে, দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে ৯ হাজারেরও বেশি দমকলকর্মী এবং ১০৫টি হেলিকপ্টার আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। তবে এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি আগুন।
ঘন ধোঁয়ার শুষ্ক ও তীব্র বাতাসের কারণে দমকলকর্মীদের আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। তীব্র বাতাশের কারণে রোববার (২৩ মার্চ) সকাল ১১টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণের হার মাত্র ৩০ শতাংশ বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে অনুপ্রবেশের সময় গুলিতে নিহত ১৬
এমন ভয়াবহ দাবনল দক্ষিণ কোরিয়া আগে কখনও দেখেনি। পুড়ছে পাহাড়ি বনসহ তার আশপাশের ঘরবাড়িগুলো। সময় যত গড়াচ্ছে দাবনল আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
এদিকে আগুন নেভাতে গিয়ে এখন পযর্ন্ত তিনজন দমকলকর্মী ও একজন সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতরা সবাই সানচেং এলাকার বাসিন্দা।
কেন্দ্রীয় দুর্যোগ ও নিরাপত্তা প্রতিরোধ সদর দফতরের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রায় ৩০টি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। ঘন ধোঁয়ার শুষ্ক ও তীব্র বাতাসের কারণে দমকলকর্মীদের আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। দাবানলে ৬ হাজারেরও বেশি হেক্টর বন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
আরও পড়ুন: থাইল্যান্ডে ইউনূস-মোদি বৈঠক প্রসঙ্গে যা বললেন জয়শঙ্কর
এদিকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট চোই সাং-মোক বলেছেন, আশপাশের ৩০টি গ্রামের ১৫শর বেশি বাসিন্দাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তাসহ আহতদের দ্রুত চিকিৎসার নির্দেশ দিয়ে উলসান শহরসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি এলাকায় জাতীয় দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট।
]]>