উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জিম্মি জেলেদের উদ্ধার ও দস্যু দমনে সুন্দরবনজুড়ে ‘কম্বিং অপারেশন’ শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এ অভিযান শুরু হরা হয়।
কোস্টগার্ড ও জেলেরা জানান, বনের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ জেলেরা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অপহরণের পর মারধরসহ মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হচ্ছে, যা দিতে না পারায় অনেক জেলের ওপর চলছে অমানবিক নির্যাতন। এই আতঙ্কে দুবলার চরসহ উপকূলীয় এলাকার কয়েক হাজার ট্রলার ও নৌকা এখন তীরে অলস বসে আছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার সকাল থেকে সুন্দরবনের দুবলা, হারবাড়িয়া, কোকিলমনি, নন্দবারা ও জোংড়াসহ বনের বিভিন্ন গহীন খালে অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী। এই বিশেষ কম্বিং অপারেশনে র্যাব, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও পুলিশ সমন্বিতভাবে যৌথ বাহিনীর বহু সদস্য এতে অংশ নিয়েছে।
আরও পড়ুন: মোংলা বন্দরকে ব্যবসায়ী-বান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা হবে: নৌপরিবহন মন্ত্রী
দিনভর বনের বনের বিভিন্ন পয়েন্টে তল্লাশি চালানো হলেও শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো অপহৃত জেলেকে উদ্ধার বা কোনো দস্যুকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে অপহৃত জেলেদের উদ্ধার ও সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
দুবলা ফিশারম্যান গ্রুপের পক্ষ থেকে জানায়, সাগরে মাছ ধরার শেষ মৌসুমে দস্যু আতঙ্কে জেলেরা সাগরে মাছ ধরা বন্ধ রাখায় কোটি কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জেলেরা দ্রুত উদ্ধার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জেলেরা।
]]>
৪ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·