প্রতিবেদন মতে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে জনি সোমালির বিরুদ্ধে ‘পাবলিক নুইস্যান্স’ তথা জনপরিসরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনে সিউল কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে তার দক্ষিণ কোরিয়া ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়। এর আগে তিনি দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে মূর্তিটিকে চুম্বন ও ল্যাপ ড্যান্সের একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।
২৫ বছর বয়সি যুবক জনি সোমালির আসল নাম ইসমাইল রামসে খালিদ। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই উসকানিমূলক কনটেন্ট প্রকাশের অভিযোগ ছিল। যার কারণে তাকে বেশ কয়েকটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। এছাড়াও জাপান ও ইসরাইল ভ্রমণের সময় তিনি মানুষকে হয়রানি করার অভিযোগে অভিযুক্ত হন।
আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) দক্ষিণ কোরিয়ার একটি আদালত খালিদকে ‘জনপরিসরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি’ এবং যৌন উত্তেজক ডিপফেক ভিডিও প্রচারের মতো একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে হাসপাতালের অবহেলায় যেভাবে এইডস আক্রান্ত কয়েকশ শিশু
দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমের তথ্য অনুসারে, আদালত বলেছে, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তি ইউটিউবের মাধ্যমে মুনাফা অর্জনের জন্য জনসাধারণের বিরুদ্ধে বারবার অপরাধ করেছেন এবং কোরিয়ার আইন অমান্য করে সেই কনটেন্ট তথা বিষয়বস্তু প্রকাশ করেছেন।’
এসব অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রসিকিউটররা তার তিন বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন। কিন্তু বিচারকরা ‘ভুক্তভোগীদের গুরুতর ক্ষতির অনুপস্থিতি’ উল্লেখ করে কম সাজা দিয়েছেন বলে দ্য কোরিয়া হেরাল্ড জানিয়েছে। মুক্তি পাওয়ার পর খালিদ অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর সাথে কাজ করতে পারবে না বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·