স্থানীয় সূত্র ও গণমাধ্যমের তথ্যমতে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা হঠাৎ করেই শ্রমিককে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরে তার গালে চড় মারেন এবং চুল ধরে টানাহেঁচড়া করেন। অন্য এক শ্রমিক ঘটনাটির ভিডিও মোবাইলে ধারণ করেন। এর আগে ওই কর্মকর্তা মাতাল অবস্থায় ওই কর্মীর হোস্টেলে গিয়ে ভাঙচুর করেন।
ভুক্তভোগী কর্মী জানান, এবারই প্রথম নয়। ওই কর্মকর্তা প্রায়ই তাকে মারধর ও গালিগালাজ করেছেন। এমনকি তার পড়াশোনার বই ও নোট ছিঁড়ে ফেলেন। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তিনি।
আরও পড়ুন: উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় বাংলাদেশ ও ওমান
পুলিশ অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে শারীরিক হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত করে তদন্ত শুরু করেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কারখানা কর্তৃপক্ষ এখনো এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বলছেন, এই ঘটনাটি দক্ষিণ কোরিয়ায় ইমিগ্র্যান্ট শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
প্রবাসী শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান সহ সভাপতি শেখ আল মামুন বলেন, ‘আজ যে ভিডিওটি আমরা দেখলাম, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও উদ্বেগজনক। একজন শ্রমিকের ওপর এ ধরনের আক্রমণ, অপমান ও সহিংস আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। শ্রমিকরা দাস নয়, তারা মানুষ—তাদেরও সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার আছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দ্রুত শাস্তি এবং সকল শ্রমিকের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাই।’
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·