সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের টোল রোডে অবস্থিত আনোয়ারা জাকারিয়া ফিলিং স্টেশনে জেলা প্রশাসন, বিএসটিআই, বিপিসি ও পুলিশের একটি সমন্বিত দল এ অভিযান পরিচালনা করে। পরে বিকেলে জরিমানার আদেশ দেয়া হয়।
অভিযানে পাম্পটিতে ১৩ হাজার ৯৬০ লিটার ডিজেল এবং ১ হাজার ২৫৩ লিটার অকটেন মজুত পাওয়া যায়। পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল নেই বলে বিক্রি বন্ধ রাখলেও ভেতরে প্রায় ১৫ হাজার লিটার জ্বালানি তেলের মজুত পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে পাম্পের স্টোরেজ ট্যাংক, গোপন স্টোররুম এবং স্টক রেজিস্টার মিলিয়ে দেখা হয়।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আমিরুল মোস্তফা বলেন, ‘প্রথমে আসার পর পাম্পের প্রবেশ পথ বন্ধ পেয়েছি। এখানে ভেতরে কোনো গাড়ি ছিল না এবং কোনো রকম তেল বিক্রি হচ্ছিল না। পরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন, তেল কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধি এবং বিএসটিআই কর্মকর্তারা আসেন। পরিমাপ করে দেখার পর দেখলাম বিক্রয়যোগ্য মজুত রয়েছে, তারপরও তারা বিক্রি করছে না। এই অপরাধ আমলে নিয়ে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করেছি।’
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বিনামূল্যে শতাধিক অসহায় শিশুর সুন্নতে খৎনা
তিনি আরও বলেন, ‘একই সাথে ওজন ও পরিমাপ দণ্ড আইনে ডিজেলের ক্ষেত্রে মাপে কম দেয়ার প্রমাণ পাওয়ায় আরও ৬০ হাজার টাকাসহ সর্বমোট এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই অভিযান চলমান থাকবে। সবাই যাতে সমানভাবে তেল পায়, সেই বিষয়টি আমরা দেখছি।’
মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের সেলস অফিসার শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘বিগত মাসের তুলনায় এ সময়ে বিক্রি অনেক বেড়ে গেছে। এটি আমাদের হাই সেলিং পাম্প ছিল। প্রতিদিন চাহিদা ১৮ হাজার লিটার, কিন্তু এখানে আমরা দিয়েছি ৯ হাজার লিটার। আমরা বলেছি, রেশনিং করে যেন সবাই পায়।’
]]>
২ সপ্তাহ আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·