তালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় থেকে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান আমাদের প্রিয় নেতা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তিনি দেশে ফিরছেন। তাকে একনজর দেখতে ও নির্বাচনী নির্দেশনা নিতে নেতাকর্মীরা উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে ঢাকা রওনা হয়েছেন।’
সাতক্ষীরা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর থেকে তাকে স্বাগত জানাতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
সাতক্ষীরা শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি শের আলী জানান, দলের সাংগঠনিক অভিভাবক তারেক রহমানকে বরণ করতে জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে বুধবার বিকেলেই তারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। একইভাবে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দলসহ সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ঢাকায় যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: এনসিপি নেতা গুলিবিদ্ধ, সাতক্ষীরা সীমান্তে বেড়েছে টহল
সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সৈয়দ ইফতেখার আলী জানান, জেলা থেকে প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এজন্য সাতক্ষীরা সদর আসন থেকে প্রায় ৩০টি বাস ও ৩০টি মাইক্রোবাস বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি আসনের মনোনীত প্রার্থীকে আলাদাভাবে ২০ থেকে ৩০টি করে গাড়ি ম্যানেজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় শতাধিক যানবাহন ঢাকায় যাবে।
তিনি আরও বলেন, ‘পরিবহন সংকট থাকলেও আমরা তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। অনেকে নিজ উদ্যোগে বা আগেই ঢাকায় পৌঁছে আত্মীয়স্বজনের বাসায় কিংবা হোটেলে অবস্থান করছেন।’
এদিকে সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীনের জ্যেষ্ঠ পুত্র কাজী সাজিদুর রহমান জানান, তারেক রহমানকে বরণ করতে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি থেকে ১০টি বাস, ১০টি মাইক্রোবাস ও ১০টির বেশি প্রাইভেট কারের বহর প্রস্তুত করা হয়েছে। বুধবার রাতে আশাশুনি এবং কালিগঞ্জ থেকে রওনা হয়ে সাতক্ষীরার বিনেরপোতা বাইপাস সড়ক এলাকায় মিলিত হয়ে বহরটি ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·