তারাবির নামাজের রয়েছে অনেক ফজিলত। রমজানের রোজা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত। যা প্রত্যেক মুসলমানের উপর ফরজ। আর তারাবির নামাজ আল্লাহর রসুল সা. প্রবর্তন করেছেন। তিনি সাহাবায়ে কেরাম রা.-কে আদায়ে উৎসাহিত করেছেন।
হজরত আবদুর রহমান ইবনে আউফ রা. বলেন, রসুল সা. বলেছেন,‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা রমজান মাসের রোজা রাখা তোমাদের জন্য ফরজ করেছেন। আর আমি তোমাদের জন্য রমজান মাসব্যাপী আল্লাহর এবাদতে দাঁড়ানো সুন্নাতরূপে চালু করেছি। কাজেই যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ঈমান ও সওয়াবের আশা নিয়ে এ মাসের রোজা রাখবে ও নফল (তারাবির) নামাজ পড়বে, সে তার জন্মদিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যাবে।’ (নাসাঈ, হাদিস: ২২১২)।
আরও পড়ুন: সেহরি না খেয়ে কি রোজা রাখা যাবে?
তারাবি নামাজের নিয়ম
এশার ফরজ নামাজ পড়ার পরে তারাবি নামাজ পড়তে হয়। তারাবি নামাজ দুই রাকাত করে পড়া হয়। প্রত্যেক দুই রাকাতের পর সালাম ফেরানো হয়। এভাবে চার রাকাত পড়ার পরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া হয়। এসময় বিভিন্ন তাসবিহ-তাহলিল পড়া উত্তম।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·