তজুমদ্দিনে শ্রমিক-যুবদলের সংঘর্ষ, আহত ১৫

১ সপ্তাহে আগে
ভোলার তজুমদ্দিনে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শ্রমিকদল ও যুবদলের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চার জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতাল ও একজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে সামনে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এর জন্য এক পক্ষ অপরপক্ষের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।


আহত ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন ও যুবদলকর্মী গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, মিজান গ্রুপের মধ্যে পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে হাসপাতালের সামনে বাগ্‌বিতণ্ডা ও মারামারি হয়। এ ঘটনার জেরে দুগ্রুপের সমর্থকদের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ নেতাকর্মী আহত হন। 


আহতদের ৪জনকে তজুমদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভোলা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমীন (২৫), রুবেল (৩৫) নাম জানা গেছে। গুরুতর আহত আল-আমীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তজুমদ্দিন থেকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

আরও পড়ুন: টাকা-পেশিশক্তির ভিড়ে অন্যরকম এক প্রার্থী মিজানুর রহমান

উপজেলা শ্রমিকদল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন জানান, ২০১৭ সালে তৎকালিন আওয়ামী লীগের লোকজন তার দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। তাকে মারধর করে। পরের বছর ২০১৮ সালে স্লুইজঘাটে সাবেক শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজ তালুকদারে মার্কেটে একটি দোকানে ব্যবসা শুরু করেন। ২০১৯ সালে বিস্ফোরক আইনে দায়ের মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময়  ওই দোকনের চাবি ঘর মালিক সবুজ তালুকদারের নিকটে রেখে যান। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠায়। জেল থেকে এসে দেখেন সবুজ ও তার ভাই রিয়াজ দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। পরে ৫ আগস্টের পর তিনি পাওনা বুঝে নিতে গেলে স্থানীয় যুবদলকর্মী গিয়াস ও মিজান প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে। গতকাল সবুজ তালুদারকে ধরতে  হাসপাতালের সামনে গেলে গিয়াস ও মিজানের নেতৃত্বে তার ওপর হামলা চালায়।  


যুবদলকর্মী গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার জানান, ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) ইকবাল হোসেন লিটন দক্ষিণ বাজারের ব্যবসায়ীদের গালিগালাজ ও মারপিট করে। এসময় বাধা দিলে দক্ষিণ বাজারের লোকজন তাদের প্রতিহত  করতে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।  এতে তাদের গ্রুপের  রুবেল, ইলিয়াছ ও আবু সাইদসহ কয়েকজন আহত হয়।
 

তজুমদ্দিন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুশান্ত মালো জানান, বিএনপি সমর্থিত লিটন ও জামাল দুইগ্রুপ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। তবে এ ঘটনায় থানায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করে নি।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন