তবে দুর্ভোগে পড়েছেন ঢাকার ছিন্নমূল মানুষেরা। যাদের রাতদিন কাটে খোলা আকাশের নিচে। এই কনকনে শীতে তাদের ঠাঁয় হয়েছে সড়ক বা রেল লাইনের দুইধারের খুপরি ঘরে। কোনো মতে ঠিকে আছে তারা।
এদিকে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগের সহকারী অধ্যাপক লুনা পারভীন সময় সংবাদকে বলেন, কনকনে শীত এবং এ মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় ধুলোবালি, গাড়ি ধোঁয়া বেশি থাকায় শিশুরা শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। এছাড়াও বয়স্করাও এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শীতে শিশুরা বাইরে গেলে কুয়াশা, খেলাধুলা করলে ধুলার কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে, এই সমস্যাটা বেশি দেখা যাচ্ছে। বংশগত এই সমস্যার বাইরেও আমরা এই ধরনের রোগী পাচ্ছি, যাদের আগে কখনো শ্বাসকষ্ট ছিল না। নতুন করে তাদের শ্বাসকষ্ট হচ্ছে এবং সহজে ভালোও হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: শৈত্যপ্রবাহ ও কুয়াশা নিয়ে পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে যা জানা গেল
এদিকে বুধবার (০৭ জানুয়ারি) আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া থাকবে শুষ্ক। মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে।
দিনের তাপমাত্রা: দিনের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
এর আগে কোথাও কোথাও এ কুয়াশা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। সংস্থাটি বলছে, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানান আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির।
পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে।
আরও বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশ থাকলেও সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। একই সঙ্গে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার প্রভাবে দেশজুড়ে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ২৪ ঘণ্টায় দেশের কোথাও বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। একই সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা টেকনাফে ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রাজশাহীতে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পূর্ব নিরক্ষীয় ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হতে পারে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পাশাপাশি উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থান করছে।
]]>

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·