বুধবার (১৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের (ঢাকা-১২) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে ভূমিমন্ত্রী ঢাকা-১৮ আসনের খাসজমির বর্তমান চিত্র তুলে ধরে জানান, এই আসনে মোট খাসজমির পরিমাণ ৯২৯.৯১৪০ একর। এর মধ্যে নদী শ্রেণিভুক্ত ভূমি নদী হিসেবে, খাল শ্রেণিভুক্ত জমি খাল হিসেবে এবং রাস্তা বা হাট শ্রেণিভুক্ত জমিগুলো পথ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। নাল, বোনো এবং পুকুর শ্রেণির কিছু জমি বর্তমানে সিটি রেকর্ড অনুযায়ী খাস খতিয়ানে এলেও সেগুলো নিষ্কণ্টক না হওয়ায় বর্তমানে ফাঁকা পড়ে আছে। এছাড়া সিটি জরিপে কিছু সম্পত্তি ভুলবশত খাস খতিয়ানে রেকর্ড হওয়ায় সেগুলোর বিষয়ে আদালতে বিভিন্ন দেওয়ানি মামলা চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী জানান, ঢাকা মহানগরের জমিগুলো অকৃষি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় এখানে ভূমিহীন পুনর্বাসনের আইনি সুযোগ নেই। তবে সরকারের বেদখল করা জমি উদ্ধারের পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্ধার করা সরকারি খাসজমি সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক যথাযথ প্রক্রিয়ায় রাজস্ব আদায়ের কাজে ব্যবহার করা হবে।
আরও পড়ুন: জিয়াউর রহমানের মতো দেশকে পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: ভূমিমন্ত্রী
চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এবং ফরিদপুর-১ আসনের সংসদ সদস্যের পৃথক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ঢাকার বাইরে প্রকৃত ভূমিহীনদের জন্য পুনর্বাসন প্রক্রিয়া একটি চলমান কার্যক্রম। আবেদন পাওয়া গেলে বিদ্যমান খাসজমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে যোগ্যদের জমি বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে।
উদ্ধার করা জমি কবে নাগাদ রাজস্বের আওতায় আসবে, সংসদ সদস্যের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এসব জমি সরকারি আয় বৃদ্ধির কাজে লাগানো হবে।

১ সপ্তাহে আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·