ঠাকুরগাঁওয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে নদী, হচ্ছে দখল

৩ সপ্তাহ আগে
ঠাকুরগাঁওয়ের টাংগন, শুক, সেনুয়াসহ বেশ কয়েকটি নদী এখন ধুঁকছে অস্তিত্ব সংকটে। খননের অভাবে শুকিয়ে যাওয়া নদীগুলোর বুকে জেগে উঠছে চর, আর সেই চর দখল করে গড়ে তোলা হচ্ছে বসতবাড়ি, মিল-কলকারখানা ও নানা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে একদিকে যেমন নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়ছে পরিবেশের ভারসাম্য।

স্থানীয়রা জানান, বছরের পর বছর খননের অভাব ও তদারকির ঘাটতিতে নদীগুলো রূপ নিচ্ছে মরা খালে। কোথাও হাঁটুজল, আবার কোথাও শুকিয়ে যাওয়া নদীর জমিতে চলছে চাষাবাদ। নদী শুকিয়ে যাওয়ায় জীবিকা হারাচ্ছেন বহু জেলে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মাছ ধরা ও নৌ চলাচল।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর তীরবর্তী জমি দখল করে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে নির্মাণ করছেন স্থাপনা। এসব দখলের ফলে নদীর সীমানা ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে। তারা দ্রুত নদী খনন ও অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন।

 

আরও পড়ুন: সড়ক দখল করে ঠাকুরগাঁওয়ে স্থাপনা নির্মাণ, কার্যকর পদক্ষেপের অভাব

 

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম যাকারিয়া বলেন, ‘নদী রক্ষায় খনন অত্যন্ত জরুরি। আমরা ইতোমধ্যে খননের জন্য তালিকা তৈরি করেছি। পাশাপাশি দখলমুক্ত করতে অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, ঠাকুরগাঁও জেলার ৩৬টি নদী ও খালের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৭০০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৬ দশমিক ৩৯৬ একর জমি ইতোমধ্যে দখল হয়ে গেছে।

 

নদী রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ এবং নিয়মিত খননের বিকল্প নেই এমনটাই মনে করছেন পরিবেশবিদ ও সচেতন মহল।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন