ট্রেনে তর্কাতর্কি: মুম্বাই স্টেশনে অধ্যাপককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২ সপ্তাহ আগে
অলোক কুমার সিং মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি কলেজে পড়াতেন। প্রতিদিনের মতো কর্মঘণ্টা শেষ করে তার সহকর্মীর সাথে ট্রেনে করে ফিরছিলেন। স্ত্রীর জন্মদিনে বাইরে ডিনার করতে যাবেন, সহকর্মীদের বলেনও সেই কথা। কিন্তু ট্রেনের মধ্যে যাত্রীর সাথে তর্কাতর্কির জেরে প্রাণটাই চলে যায় অশোক কুমারের। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এই ঘটনা ঘটে।

ভারতের মালাড রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীর সাথে তর্কে জড়ান অশোক।   

 

তিনি প্রতিদিনের মতো তার সহকর্মীর সাথে ট্রেনে যাচ্ছিলেন। এ সময় যাত্রীর সাথে তর্ক হলে অলোক কুমার সিংকে   ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত ব্যক্তি। 

 

আরও পড়ুন: ৫০ পর্যন্ত গুনে উঠতে পারেনি ৪ বছরের মেয়ে, পিটিয়ে হত্যা করল বাবা!
 

রোববার (২৫ জানুয়ারি) পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) প্রাসঙ্গিক ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

নিহত অলোক কুমার সিং, যিনি কান্দিভালিতে থাকতেন এবং বেসরকারি কলেজে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, সিং ২০২৪ সালের মার্চ মাসে নরসী মঞ্জি কলেজে গণিতের শিক্ষক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

 

পুলিশ জানায়, সিং চার্চগেট-বোরিভালি ধীরগতির ট্রেনের দ্বিতীয় শ্রেণীর কোচে আরেক শিক্ষকের সাথে যাচ্ছিলেন। সিং এবং অভিযুক্ত ব্যক্তি মালাড স্টেশনে নেমে যাওয়ার সাথে সাথে তাদের ঝগড়া শুরু হয় এবং প্ল্যাটফর্মেও তা চলতে থাকে।

 

ঘটনাটি ঘটে বিকেল ৫.৩০ মিনিট নাগাদ মালাড স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। কথা কাটাকাটির সময় অভিযুক্ত একটি ধারালো বস্তু বের করে, যা ছুরি বলে মনে করা হচ্ছে, সিং-এর পেটে আঘাত করে পালিয়ে যায়।

 

মুম্বাইয়ের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সুনীতা সালুঙ্কে-ঠাকরে হিন্দুস্তান টাইমসকে বলেন, ‘তার সহকর্মী শিক্ষক এবং পুলিশ তাকে দ্রুত শতাব্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।’

 

আরও পড়ুন: ক্যারিয়ারের শেষ ছবি নিয়ে বিতর্ক: প্রথমবার মুখ খুললেন বিজয়


পশ্চিম রেলওয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মালাদ স্টেশনে যাত্রীরা যখন নামছিলেন তখন তাদের মধ্যে মতবিরোধ শুরু হয়েছিল বলে মনে হয়। বিতর্কের সময়, অভিযুক্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলোক সিংকে আক্রমণ করে, ট্রেন থেকে নামার সময় তার পেটে ছুরিকাঘাত করে। 

 

এদিকে, ইন্ডিয়ান এক্সেপ্রেসের খবরে বলা হয়,  ঘটনার দিন, সিং তার স্ত্রীর জন্মদিনে তার সাথে ডিনারে বেরোনোর ​​পরিকল্পনা করেছিলেন। কর্মঘণ্টার পরপরই তিনি কলেজ থেকে বেরিয়ে যান, সহকর্মীদের জানান যে তিনি ডিনারের জন্য বাইরে যাচ্ছেন। তার সহকর্মী সুধীর ত্রিবেদী, যিনি নালাসোপাড়ায় থাকেন, তিনিও তার সাথে ছিলেন কারণ তারা সাধারণত একসাথে ভ্রমণ করতেন।

 

 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন