ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় পড়তে যাচ্ছেন পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের নাগরিকরা!

৪ সপ্তাহ আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে যাচ্ছেন তাতে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হতে পারেন।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই শেষে আগামী সপ্তাহেই নতুন এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।

 

এই তালিকায় আরও দেশ থাকতে পারে, তবে সেগুলো ঠিক কোন কোন অঞ্চলের তা বলতে পারেনি নাম প্রকাশে রাজি না হওয়া সূত্রগুলো।

 

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদেই ৭টি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলেন, তার ওই পদক্ষেপ নানান আইনি জটিলতা পার করে শেষ পর্যন্ত ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সায় পেয়েছিল।

 

জো বাইডেন ক্ষমতায় এসে ২০২১ সালে ওই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন। ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সেসময় তিনি ‘আমাদের জাতীর বিবেকে কলঙ্কের দাগ’ বলেও অ্যাখ্যা দিয়েছিলেন।

 

আরও পড়ুন: ছাড় পেলো না ভারত, অতিরিক্ত শুল্ক আদায়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

 

ট্রাম্পের নতুন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় আফগানিস্তান থাকলে তা শরণার্থী হিসেবে কিংবা বিশেষ অভিবাসন ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লাখো আফগানের জন্য চরম দুঃসংবাদ হিসেবে হাজির হবে।

 

আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করা এই আফগানদের ওপর তালেবান প্রতিশোধস্পৃহা চরিতার্থ করতে পারে, এমন আশঙ্কাও রয়েছে।

 

এ বছরের ২০ জানুয়ারি শপথ নিয়েই ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি শনাক্তে একটি নির্বাহী আদেশ জারি করেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে আগ্রহী সব বিদেশির ব্যাপারে বিস্তৃত যাচাই-বাছাই চালাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়।

 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীন ও কানাডার পাল্টা ব্যবস্থা

 

ওই আদেশে ঝুঁকি বিবেচনায় কোন কোন দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেয়া যায় ১২ মার্চের মধ্যে তার তালিকা দিতে মন্ত্রিসভার কিছু সদস্যকে বলা হয়েছিল।

 

এর মধ্যে আফগানিস্তানের নাগরিকরা ‘সম্পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার’ তালিকায় পড়তে যাচ্ছেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। সূত্র তিনটি জানিয়েছে, পাকিস্তানও এ তালিকায় থাকতে পারে।

 

ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এ বিষয়টি তদারকির দায়িত্বে থাকা মার্কিন পররাষ্ট্র, আইন ও জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। 
 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন