বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিকেলে বিজিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হ্নীলা বিওপি সংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। এ সময় সীমান্ত পেরিয়ে আসা কয়েকজন সন্দেহভাজন চোরাকারবারিকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে পাচারকারীরা ইয়াবার চালান ফেলে পালিয়ে যায়। পরে নাফ নদী ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৭ লাখ ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।’
আরও পড়ুন: টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো নারী-পুরুষের মরদেহ
বিজিবির এই কর্মকর্তা আরও জানান, এর আগে হোয়াইক্যং এলাকার মনিরঘোনা থেকে আরও ২ লাখ ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।
উদ্ধার করা মাদক টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং জড়িতদের শনাক্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·