টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার রাতে বিজিবির উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের নায়েক ছরওয়ার মোস্তফা বাদি হয়ে এই মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত ৫৩ জনের মধ্যে একজন পুলিশ হেফাজতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ওসি আরও জানান, আটক ৫৭ জনের মধ্যে চারজন ছিলেন বাংলাদেশি জেলে। তারা নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে গোলাগুলির মুখে অনুপ্রবেশকারীদের সঙ্গে মিশে যান। পরে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।
কক্সবাজার আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ মঙ্গলবার বিকেলে ৫২ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে রোববার ৫৩ জন এবং সোমবার সকালে ৪ জনকে হোয়াইক্যং সীমান্ত থেকে আটক করে বিজিবি ও পুলিশ।
আরও পড়ুন: এখনও সংকটাপন্ন হুজাইফা, নেয়া হচ্ছে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে
এদিকে সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আহত বাংলাদেশি যুবক আবু হানিফের বাম পা কেটে ফেলা হয়েছে। আহতের বাবা ফজল করিম জানান, সোমবার সকালে সীমান্তের শাহপরীর দ্বীপে মাছ ধরতে গিয়ে মাইন বিস্ফোরণে তার ছেলের বাম পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অন্যদিকে, টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুজাইফা আফনানের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চমেক হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন বলেন, ‘রোববার রাতে শিশুটির অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। কিন্তু মাথায় বিদ্ধ গুলি বের করা সম্ভব হয়নি। রক্তক্ষরণের শঙ্কায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। এখন ঢাকায় স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’
]]>
২ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·