অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দেশের ক্রিকেট সমর্থকদের স্বপ্নবাজ করে তুলেছিলো শ্রীলঙ্কা দল। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকরা ২০১৪ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো উঁচিয়ে ধরবে ট্রফি, আশায় বুক বেঁধেছিলেন অনেকে। কিন্তু, পরের ম্যাচেই বদলে যায় দৃশ্যপট।
জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে 'বি' গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ হারায় শ্রীলঙ্কা। এরপর সুপার এইটে ইংল্যান্ডের কাছে হয় ধরাশায়ী। ইংলিশদের দেয়া ১৪৭ রানের টার্গেটে মাত্র ৯৫ রানে অলআউট হয়, সেটাও আবার ঘরের মাঠে।
পাল্লেকেলের ঐ হারে সেমিফাইনালের সমীকরণ জটিল করে তুলেছে লঙ্কানরা। তাই কলম্বোতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যেকোনো মূল্যে জিততে চাইবে দাসুন শানাকার দল।
এদিকে সেমিফাইনালের রেসে থাকতে নিউজিল্যান্ড দলও জয় ভিন্ন কিছু ভাবছে না। গ্রুপ পর্বে আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারালেও, বড় প্রতিপক্ষের সামনে সুবিধা করতে পারেনি। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে 'ডি' গ্রুপের রানার্সআপ হয় নিউজিল্যান্ড। সুপার এইটে শুভসূচনার লক্ষ্য ভেস্তে দেয় বৃষ্টি। পাকিস্তানের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে কিউইদের।
আরও পড়ুন: হচ্ছে না ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল
সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে মুখোমুখি পরিসংখ্যানে এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। ২৮ দেখায় শ্রীলঙ্কাকে ১৬ বার হারিয়েছে তারা, হেরেছে ৯ ম্যাচে। টাই হয়েছে ২টি, ফলাফল হয়নি ১টিতে। তবে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এগিয়ে লঙ্কানরা। ৬ ম্যাচে ৩ জয় তাদের, ২টিতে জিতেছে ব্ল্যাক ক্যাপস, টাই হয়েছে ১ ম্যাচ। ঐ ৬ ম্যাচের মাত্র একটাই হয়েছে শ্রীলঙ্কার মাটিতে। ২০১২ বিশ্বকাপে পাল্লেকেলেতে সে ম্যাচ হয়েছিলো টাই। এবারও তেমন টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব। তবে, স্বাগতিক দর্শকরা চাইবেন শানাকাদের জয়।
প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এবারের আসরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৫ ম্যাচ। যার মধ্যে ৪টিতেই আগে ব্যাটিং করা দল জয় পেয়েছে। যদিও দলগুলো আগে বোলিং করে টার্গেটে খেলতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। নাইট ম্যাচে সেটাই স্বাভাবিক। কুয়াশার কারণে সেকেন্ড ইনিংসে ব্যাটিং করা তুলনামূলক সহজ হওয়ার কথা।

৪ দিন আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·