তবে ডিলাররা বলছেন, পর্যাপ্ত যোগান নেই তাদের কাছেও। সরবরাহ কম থাকায় টিএসপি সার নেই তাদের কাছে। এমন বাস্তবতা মানছে স্থানীয় কৃষি বিভাগও।
সরেজমিনে নাটোরের হালতি বিল অধ্যুষিত নলডাঙ্গা উপজেলায় গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা পেঁয়াজ, রসুন রোপণসহ বোরো ধানের বীজতলা তৈরতে ব্যস্ত। তবে জমির ঊর্বরতা বাড়াতে দরকারি টিএসপি সার পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তাদের।
কৃষকরা জানান, জমি চাষ করে প্রস্তুতের আগে টিএসপি সার প্রয়োজন হলেও এই সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই। টিএসপি সারের জন্য ডিলারদের কাছে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসছেন কৃষকরা। এই পরিস্থিতিতে গত ৭ ডিসেম্বর নলডাঙ্গা বাজারে সারের জন্য সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন কৃষকরা। এতেও প্রতিকার পাননি বলে দাবি কৃষকদের।
আরও পড়ুন: সার নিয়ে ‘ডিলারদের কারসাজি’, বিপাকে রাজশাহীর আলু চাষিরা
সোনাপাতিল এলাকার কৃষক রশিদ বলেন, হলতি বিলের পানি নেমে যাওয়ার পর জমি চাষ দেয়ার জন্য টিএসপি সার পাননি। জমিতে পেঁয়াজ রোপণের পর সার দিয়েছেন। এতে ফলন কমে যাওয়ার আশংকা করছেন তিনি।

মাধনগর এলাকার শামীম বলেন, ‘স্থানীয় ডিলারদের কাছে চাহিদা মোতাবেক সার না পেয়ে বাইরের জেলা থেকে বেশি দামে টিএসপি সার সংগ্রহ করতে হচ্ছে।’
মাধনগর ইউনিয়নের ডিলার ভাই ভাই স্টোরের ম্যানেজার রানা বলেন, ‘বরাদ্দ কম হওয়ায় ৬ ডিসেম্বরের মধ্য টিএসপি সার শেষ হয়ে গেছে। ডিসেম্বরে নতুন সার না এলে টিএসপি সার সরবরাহ সম্ভব না।’
আরও পড়ুন: সার সংকটে বেকায়দায় মেহেরপুরের কৃষকরা
নাটোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক হাবিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘টিএসপি সারের উপাদান ও ডিএপি সারের উপাদান একই। তাই প্রতিমাসেই টিএসপি সারের চেয়ে ডিএপি সারের বরাদ্দ বেশি দেয়া হয়েছে। টিএসপির চেয়ে ডিএপি সারের কার্যক্ষমতা বেশি ও সরবরাহ বেশি থাকায় ডিএপি সার ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি।
হালতি বিল অধ্যুষিত নলডাঙ্গা উপজেলায় ১৪ হাজার ৮৭৯ হেক্টর জমিতে আবাদ হয় বলে জানায় কৃষি বিভাগ।
]]>

৩ সপ্তাহ আগে
৬








Bengali (BD) ·
English (US) ·