বুধবার (১৯ মার্চ) কেন্দ্রীয় যুবদলেরসহ দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৪ মার্চ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ ও সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর ও হবিগঞ্জের আওয়ামী সন্ত্রাসী আবু জাহিরের অন্যতম সহযোগী জুলাই আগস্টে গণঅভ্যুত্থানের আন্দোলনে হামলার মামলার আসামি আহাম্মদ আলীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইফতার করার সময়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
আরও পড়ুন: যুবদলকর্মী নিহতের ঘটনায় বহিষ্কার যুবদল নেতা, গ্রেফতার ২
এমতাবস্থায় সংগঠনবিরোধী এহেন কর্মকাণ্ডের জন্য আপনাদের বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ৩ দিনের মধ্যে যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে লিখিত কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হলো।
এ ব্যাপারে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব সফিকুর রহমান সিতু বলেন, ‘আমি আমার শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার জন্য ডাক্তার দেখাতে ঢাকা গিয়েছিলাম। চিকিৎসা শেষে আমাদের নেতাদের সাথে দেখা করতে দলীয় অফিসে যাই। বিকেল হয়ে গেলে মাধবপুরের সাদেক আমাকে ইফতার করে যেতে আমন্ত্রণ জানালে আমি সেখানে ইফতার করি। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট যে লোককে আমি নিয়ে গেছি বলে অভিযোগ উঠেছে তাকে আমি চিনি না। কোনোদিন কথাও হয়নি। সে কীভাবে ইফতারে গিয়েছে তাও আমি জানি না। আর বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমার মোবাইলের কললিস্ট সংগ্রহ করলেই পাওয়া যাবে, আমি কোনোদিন এ লোকের সাথে কথা বলেছি কিনা।’
আরও পড়ুন: জাবির ৯ শিক্ষক বহিষ্কার, সাবেক উপাচার্যের পেনশন বাতিল
সিতু বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর আমি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলন সংগ্রামের সামনের কাতারে ছিলাম। অসংখ্য মামলায় আসামি হয়েছি। জেল খেটেছি। আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে গুরুতর আহত হয়ে আমার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু আমাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ যারা ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেনি তারা আমাদের সরিয়ে মাঠ দখলের চেষ্টা করছে। আমাদের সরালে তারা নির্বিঘ্নে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি করতে পারবে। এজন্য তারা আমাদের বিরুদ্ধে এসব ষড়যন্ত্র করছে।’