রোববার (১৫ মার্চ) রাজধানীর গুলশান–২ এলাকার স্বদেশ প্রপার্টিস অফিসে আহত ও নিহত জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাসিকভিত্তিক আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. এম এ কাইয়ুম বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। তাদের এই ত্যাগ জাতি কোনোদিন ভুলবে না। তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি এবং যতটুকু সম্ভব আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে তাদের পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করে যাব।
তিনি আরও বলেন, দেশের নায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি জনগণের কাছে দিয়েছিলেন, সরকার গঠনের পরপরই তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের জন্য ভাতা বৃদ্ধি, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের পথ আরও সুগম হবে।
আরও পড়ুন: কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন ১৪ এপ্রিল
ড.এম এ কাইয়ুম বলেন, বিএনপি সব সময়ই এদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে এসেছে। বিশেষ করে যারা আন্দোলন–সংগ্রামে জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়াকে বিএনপি নৈতিক কর্তব্য হিসেবে মনে করে।
দলের ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড.এম এ কাইয়ুম বলেন, জুলাই যোদ্ধারা আমাদের পরিবারের সদস্যের মতো। তাদের সুখে–দুঃখে পাশে থাকা আমাদের দায়িত্ব। আমরা চাই তারা সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে সমাজে মাথা উঁচু করে বাঁচুক।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী দিনগুলোতে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের উন্নয়নে আরও নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করবেন। পাশাপাশি জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের কল্যাণে সরকার আরও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলেও তিনি প্রত্যাশা করেন।
কাইয়ুম বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের ফলেই আজকের পরিবর্তিত বাংলাদেশ সম্ভব হয়েছে। তাদের অবদানের কারণেই দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।
অনুষ্ঠানে আহত ও নিহত পরিবারের সদস্যদের মাঝে মাসিক ভিত্তিক আর্থিক উপহার তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হয়।

৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·